ইসরায়েল ও গাজা উপত্যকার আশপাশে প্রায় এক হাজার ৫০০ হামাস যোদ্ধার মরদেহ পাওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। সঙ্গে জানিয়েছে, অতর্কিত হামলার পর লড়াইয়ের চতুর্থ দিনে সীমান্তের ওপর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে’ তারা। খবর এপি ও আলজাজিরা।

ইসরায়েলের মুখপাত্র রিচার্ড হেচট বলেছেন, গতকাল সোমবার (৯ অক্টোবর) রাত থেকে হামাসের কোনো যোদ্ধা ইসরায়েলে প্রবেশ করেনি। তবে নতুন করে প্রবেশের ঘটনা ঘটে পারে।

দাবিকৃত মরদেহগুলো একটি অংশ এর আগে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত করা নিহতের তথ্যের অন্তর্ভুক্ত কিনা তা স্পষ্ট নয়।

ইসরায়েল এর আগে ৯০০ সৈন্য ও বেসামরিক লোক নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ গাজা ও পশ্চিম তীরে প্রায় ৭০০ জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে।

ইসরায়েল সংরক্ষিত বাহিনী  তিন লাখ সদস্যকে প্রস্তুত রেখেছে। তবে প্রশ্ন হলো, ভূমধ্যসাগরীয় সংকীর্ণ এ উপকূলীয় অঞ্চলে তারা স্থল হামলা চালাবে কিনা। সর্বশেষ স্থল হামলা হয়েছিল ২০১৪ সালে।

এদিকে গাজার কাছের এক ডজনেরও বেশি শহর থেকে হাজার হাজার ইসরায়েলিকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। নতুন করে হামাস যোদ্ধাদের প্রবেশের আশঙ্কায় সীমান্তে ট্যাঙ্ক ও ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির মুখে গাজার হাজার হাজার বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন।