অতিমাত্রার ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাসের কারণে ওজোন স্তরের বিভিন্ন স্থানে ১৯৮০ সালের দিকে ছিদ্র ধরা পড়ে। সবচেয়ে বড় ছিদ্রটি দেখা গিয়েছিল দক্ষিণ গোলার্ধের অ্যান্টার্কটিকা অংশে। বিজ্ঞানীরা আশা করেছিলেন, সেটি পুনরুদ্ধার হতে সময় লাগতে পারে ২০৬০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু ছিদ্র ভরাট তো হয়ইনি, বরং ক্রমে তা দানবীয় আকার নিচ্ছে। এর আকার বড় হতে হতে এখন ২ কোটি ৬০ লাখ কিলোমিটার ছাড়িয়েছে; যা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম দেশ ব্রাজিলের অন্তত তিন গুণ। প্রাণিজগৎকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষার ঢাল বলা হয় পৃথিবীর ওজোন স্তরকে। ফলে বিশ্ববাসীর জন্য এটি এক দুঃসংবাদ। ডয়চে ভেলে