শরণার্থী হিসেবে নেদারল্যান্ডসে বেড়ে
উঠা ডিলান ইয়েসিলগোজ-পেগেরিয়াসে। আগামী নির্বাচনে পিপলস পার্টি ফর ফ্রিডম অ্যান্ড ডেমোক্রেসির
(ভিভিডি) হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়বেন তিনি। এ ডানপন্থী রাজনীতিবিদের অন্যতম
এজেন্ডা হলো, অভিবাসন কমিয়ে আনা। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
গতকাল শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রটারডামে
দলীয় সমাবেশে স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর জোর দেন তিনি। নভেম্বরের নির্বাচন উপলক্ষে
আয়োজিত প্রচারণায় জানান, তার লক্ষ্য হলো অভিবাসন কমিয়ে আনা।
এ মুহূর্তে ভিভিডির গুরুত্বপূর্ণ নেতা
ডিলান । দল নির্বাচনে জয়ী হলে তিনিই হবেন নেদারল্যান্ডসের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
দলটির নির্বাচনী প্রচারণায় স্থান পেয়েছে
শরণার্থী সংকট। ‘জায়গা দাও ও সীমানা নির্ধারিত করো’ এই স্লোগানে ঘোষিত হয়েছে নির্বাচনী
মেনিফেস্টো।
বক্তৃতায় ডিলান বলেন, নিজের স্বাধীনতা
লালন ও অন্যের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়লে তাদের পাশ দাঁড়ানোর শিক্ষা আমি আমার বাব-মার
কাছ থেকেই পেয়েছি। তবে বর্তমানে আমরা অপরকে বোঝার তাগিদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।
প্রথম ডাচ নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার
সম্ভাবনাকে কীভাবে মূল্যায়ন করছেন- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে ডিলান ইয়েসিলগোজ বলেন,
আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছি, এটা ভোটারদের ওপর নির্ভর করছে।
৪৬ বছর বয়সী এ নেতা ২০২২ সালের জানুয়ারি
থেকে নেদারল্যান্ডসের আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।










