ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশটির সামরিক বাহিনীকে জানিয়েছেন যে, হামাস জিম্মিদের নামের তালিকা না দেয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি শুরু হবে না। স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার কথা থাকলেও হামাস প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখনো আজ মুক্তি পেতে যাওয়া তিন নারীর নাম দেয়নি। খবর আল জাজিরা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেট নিউজ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হামাস সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, তিনজনের নাম দিতে না পারার জন্য হামাস প্রযুক্তিগত কারণকে বিলম্বের জন্য দায়ী করছে। সূত্রটি ইয়েনেটকে জানিয়েছে, হামাস সদস্যরা স্বশরীরে দূতদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। তাই তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় দরকার।
টেলিগ্রামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে হামাস। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তাবলীর প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারা জানিয়েছে, প্রথম ধাপে মুক্তিপ্রাপ্তদের নাম হস্তান্তরে বিলম্বের কারণ হচ্ছে প্রযুক্তিগত এবং মাঠের বাস্তবতা।
চুক্তি অনুযায়ী, হামাসকে আজ মুক্তি দেয়া বন্দিদের নাম সরবরাহ করতে হবে এবং তা করতে হত মুক্তির ২৪ ঘণ্টা আগে। অর্থাৎ, গতকালই এ কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি।
হামাসও এই বিলম্বের কারণকে প্রযুক্তিগত বলে জানিয়েছে। আল জাজিরার সংবাদকর্মী স্টেফানি ডেকার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, হামাস স্বাভাবিকভাবেই ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে না। তারা দূত ব্যবহার করে এবং নজরদারির বিষয়ে খুবই সচেতন। যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী, ইসরায়েলের উচিত ছিল ১২ ঘণ্টার জন্য নজরদারি বন্ধ রাখা, যাতে হামাস গাজায় বন্দিদের সীমান্তে নিয়ে গিয়ে হস্তান্তর করতে পারে।










