ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার হামলা পাল্টা
হামলায় রক্তক্ষয়ী দিন পার করেছে গাজা উপত্যকা। গত ২৪ ঘণ্টায় হামলায় দুপক্ষের প্রায়
৫০০ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে হাজার হাজার।
৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন ছিল এটি।
তীব্র সংঘর্ষের মধ্যে এখনো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ
করছে অধিকাংশ আরব রাষ্ট্র। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি বলেছে, রিয়াদ
খুব সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে উভয়পক্ষকে বেসামরিক নাগরিকের
নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদ।
অন্যদিকে কাতার এ সংঘর্ষের জন্য ইসরায়েলকে
সরাসরি দায়ী করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ফিলিস্তিনিদের
মানবাধিকার ক্রমাগত লঙ্ঘন করা ইসরায়েলই এ পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি দায়ী। আন্তর্জাতিক
আইন লঙ্ঘনে ইসরায়েলকে নিবৃত্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে
কাতার।
বেসামরিক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
উভয়পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। একইসঙ্গে হতাহতের ঘটনায় শোক জানিয়েছে
দেশটি।
গভীর উদ্বেগ জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছে কুয়েত।
এ ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে কুয়েত।
দেশটি ইসরায়েলকে নির্লজ্জ আক্রমণ বন্ধ করতে বলেছে।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুই পক্ষকেই সংযমের
আহ্বান জানিয়েছে ওমান। এক বিবৃতিতে চলমান উত্তেজনা বন্ধ করতে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়কে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান ও আন্তর্জাতিক আইনের মেনে চলতে উভয়পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছে
দেশটি।
১৯৮০ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি
করা মিসর এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয়পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
হামাসের আক্রমণকে নায়কোচিত উল্লেখ্য করে
ইসরায়েলে হামলায় যোগ দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সিরিয়ার পররাষ্ট্র
মন্ত্র্রণালয়ও হামাসের হামলাকে নায়কোচিত উল্লেখ করেছেন। ইহুদিবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে
সিরিয়া ফিলিস্তিনিদের পাশেই আছে বলে উল্লেখ করেছেন তারা।
ইয়েমেনের রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণ করা হুথি বিদ্রোহীরা হামাসের হামলাকে জিহাদ আখ্যা দিয়ে এর প্রশংসা করেছে।










