গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে বিবাস পরিবারের সদস্যসহ বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চার জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করবে হামাস। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ওপর হামলার ফলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হামাস এই প্রথম দেহাবশেষ হস্তান্তর করছে। খবর এএফপি।

হামাস জানিয়েছে, শিরি বিবাস, তার দুই শিশু পুত্র কেফির ও এরিয়েল এবং চতুর্থ বন্দি ওদেদ লিফশিৎজের মরদেহ গাজার দক্ষিণের শহর খান ইউনিসে ফেরত পাঠানো হবে।

ইসরায়েলে হামলার সময় হামাসের হাতে তাদের অপহরণের ভিডিও এবং সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, মা এবং তার শিশুপুত্র চার বছর বয়সী এরিয়েল ও মাত্র নয় মাস বয়সী কেফিরকে গাজা সীমান্তের কাছে তাদের বাড়ি থেকে অপহরণ করা হচ্ছে।

শিশুদের বাবা এবং শিরির স্বামী ইয়ার্ডেন বিবাসকে একই দিনে আলাদাভাবে অপহরণ করা হয়। তাকে পূর্ববর্তী জিম্মি-বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ১ ফেব্রুয়ারি গাজা উপত্যকা থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল।

গাজা উপত্যকায় ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে লড়াইয়ের পর গত ১৯ জানুয়ারি কার্যকর হওয়া ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে লাশ হস্তান্তর করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বৃহস্পতিবার হতে যাচ্ছে খুব কঠিন এক হৃদয়বিদারক দিন, শোকের দিন।

যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ে, রেড ক্রসের মধ্যস্থতায় ধারাবাহিক বিনিময়ে ১ হাজার ১০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে হামাস এখন পর্যন্ত ১৯ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে।

প্রথম ধাপে মুক্তি পাওয়ার যোগ্য ১৪ জন জিম্মির মধ্যে আটজন মারা গেছেন বলে ইসরায়েল জানিয়েছে।

বুধবার রাতে ইসরায়েলি প্রচারণা গোষ্ঠী হোস্টেজেস অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিজ ফোরাম জানিয়েছে, বিবাস পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ‘হৃদয়বিদারক’ খবরটি তাদের জানানো হয়েছে। বিবাস পরিবার জানিয়েছে, তারা সরকারি চ্যানেল থেকে নিশ্চিতকরণের জন্য অপেক্ষা করবে।