ইরানের ভূখণ্ডে একের পর এক হামলার মধ্যেও তেহরান বলছে, তারা এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রেখেছে। তবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সংলাপের শুরুর শর্ত হল—বিশ্বকে আগে ইসরায়েলের আগ্রাসন স্বীকার করতে হবে। খবর আল জাজিরা।
ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি—প্রতিপক্ষের কথা শোনাও গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই আমাদের কূটনীতিকরা জেনেভায় অবস্থান করছেন, যাতে তারা অন্য পক্ষের বক্তব্য শুনতে পারেন।’
তবে মোহাজেরানি একযোগে পশ্চিমা দেশগুলোকে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, ‘প্রথমত বিশ্বকে স্বীকার করতে হবে যে, প্রকৃত আগ্রাসী ভূমিকায় ইরানকে আক্রমণ করেছে ইসরায়েল। আমাদের সামরিক কমান্ডার, শিশু, নারী, বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিকদের গভীর রাতে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়েছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো যেন ইরানি জনগণের সঙ্গে ‘হুমকির ভাষায়’ কথা না বলে। মোহাজেরানি বলেন, ‘তারা যদি ভুল করে, তাহলে আমরা নিঃসন্দেহে নিজেদের রক্ষা করব। আর যা আমাদের অধিকার, তা আমরা প্রয়োগ করব। আমরা আশা করি যুক্তরাষ্ট্র এমন ভুল করবে না, তবে উত্তেজনা বাড়লে আমাদের জবাবও হবে আনুপাতিকভাবে শক্ত।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এই অবস্থান স্পষ্ট করছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার বর্তমান ঢেউ আরো একধাপ ওপরে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেখানে ‘মিতব্যয়ী প্রতিক্রিয়া’ নয়, বরং ‘সমুচিত পাল্টা আঘাত’-এর কৌশল নিতে পারে তেহরান।










