লাইবেরিয়ার নির্বাচনে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি
ক্ষুণ্নকারীদের বিরুদ্ধে ভিসা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি
ব্লিংকেন। গতকাল বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে বিবৃতি দেন তিনি। খবর রয়টার্স।
আগামী অক্টোবরে আফ্রিকার দেশটিতে নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দেশটির বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মাঝে এল নিষেধাজ্ঞার
ঘোষণা।
অবশ্য কারা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন তা
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হচ্ছে, এ পদক্ষেপ
তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে বাধা আরোপ করেছে।
ব্লিংকেন জানান, এ নীতির লক্ষ্য লাইবেরিয়ার
জনগণ বা সরকার নয়। যাদের লাইবেরিয়ার গণতন্ত্রকে দুর্বল করার জন্য
দায়ী বলে মনে করা হয় তাদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার
কারসাজি বা কারচুপি, সহিংসতার ব্যবহার ও নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার মতো কোনো
কার্যকলাপ।
এর আগে গত বছর লাইবেরিয়ার তিন কর্মকর্তার
বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপব্যবহারের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
যাদের অন্যতম দেশটির প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়েহের চিফ অব স্টাফ ন্যাথানিয়েল ম্যাকগিল।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত মাসে জানিয়েছে,
অক্টোবরে দেশটির সাধারণ নির্বাচনের আগে লাইবেরিয়ায় একটি পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠাবে।










