জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের
উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে পড়েছে তুরস্কের কিছু অঞ্চল। সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানিয়েছে,
ঐতিহ্যবাহী ইস্তান্বুল ও ইজমির প্রদেশের উপকূল সবচে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। খবর আনাদোলু
এজেন্সি।
গ্লোবাল ব্যালেন্স অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা
বলছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ইস্তান্বুল ও ইজমির প্রদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক
প্রাসাদ, ধর্মীয় স্থাপনাগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে। যার অনেকগুলোই অটোমান সাম্রাজ্যের স্মৃতি।
সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির গড় হিসাব করে গবেষণাটি
করা হয়েছে।
ইন্টারগভর্মেন্ট প্যানেল অন ক্লাইমেট
চেঞ্জের (আইপিসিসি) মতে, এই শতাব্দির মাঝামাঝিতে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা বাড়বে শূন্য
দশমিক ৫ মিটার বা ১ দশমিক ৬৪ ফুট। আরো অনুমান করা হচ্ছে, শতাব্দির শেষের গড় উচ্চতা
প্রায় এক মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
অটোমান আমলের ডলমাবাহচে প্রাসাদসহ বেইলারবেই
প্রাসাদ ও কুকুকসু প্যাভিলিয়নগুলো রক্ষার জন্য আরো কার্যকরী ভুমিকা নিতে হবে বলে মন্তব্য
গবেষকদের। কারণ সমুদ্রের পানি উঠে আসলে এসব অঞ্চল নদীর পনিতে তলিয়ে যেতে পারে।
উস্কুদার বা মিহরিমাহ সুলতান মসজিদ
ও কাদিকয়ের মতো নদী তীরবর্তী স্থাপনাগুলো রক্ষার্থে নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন আছে
বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইস্তান্বুলের মারমারা সাগর উপকূলীয়
জেলাগুলোতে প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বসবাস। গবেষণার সঙ্গে জড়িত নুজেত দালফেজ বলেন, এ জেলাগুলো
সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে অঞ্চলগুলো
প্লাবিত হলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যাবে। মাটির উর্বরতা নষ্ট
হয়ে অঞ্চলগুলোর ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে এতে।










