চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অক্সিজেনসহ মোট ৯টি ধাতু ও অধাতু উপাদানের সন্ধান পেয়েছে চন্দ্রযান ৩ ( প্রজ্ঞান)।এক টুইটবার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ইসরো)। খবর এনডিটিভি।
বিজ্ঞাপ্তিতে ইসরোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘লেজার ইনডিউজড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কোপ (এলআইবিএস) নামের বিশেষ একটি লেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর পৃষ্ঠে সালফারের অস্তিত্ব পেয়েছে প্রজ্ঞান।’ ‘এছাড়াও চাঁদের মাটিতে অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন এবং অক্সিজেনও পাওয়া গেছে। চাঁদে হাইড্রোজেন রয়েছে কিনা, তা জানতে আমাদের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।’
এর আগে চাঁদের তাপমাত্রা কেমন সেটিও একটি গ্রাফ দিয়েছে ইসরো। সেই গ্রাফে দেখা যাচ্ছে- দক্ষিণ মেরুতে দিনের বেলায় চাঁদের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ‘দিন’ অবশ্য পৃথিবীর হিসাবে ১৪ দিনে বিস্তৃত। আবার সূর্য ডুবলে রাতও নামে পৃথিবীর হিসাব অনুযায়ী ১৪ দিনের জন্য। চাঁদের কুমেরুতে এইরাত যখন নামে তখন চন্দ্রপৃষ্ঠে মাইনাস ৩০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত নামে তাপমাত্রা। তবে সূর্য আকাশে থাকলে চন্দ্রপৃষ্ঠের এ অংশের মাত্র ৩০ মিলিমিটার গভীরে গেলেও তাপমাত্রা ওই ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই থাকে বলে দাবি করে ইসরো।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই শুক্রবার স্থানীয় সময় ২ টা ৩৫ মিনিটে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রের শ্রীহরিকোটা শহরের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে চাঁদের উদ্দেশে রওনা হয় ভারতীয় নভোযান চন্দ্রযান ৩। তারপর গত ২৩ আগস্ট ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রথম নভোযান হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছায় চন্দ্রযান ৩। সেখানে পৌঁছানোর পর মূল নভোযান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে রোভার প্রজ্ঞান।










