চলতি বছরের আগস্টে জাপান থেকে চীনের সি ফুড আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৬ শতাংশ কমেছে। কমে যাওয়ার কারণ দেশটির সামুদ্রিক পণ্য আমদানিতে চীনের নিষেধাজ্ঞা। ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয় পানি প্রশান্ত মহাসাগরে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় জাপানের সামুদ্রিক পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চীন।  খবর নিক্কেই এশিয়া।

জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত জরিপ অনুসারে, গত মাসে জাপান ২২০ কোটি ইয়েনের সামুদ্রিক পণ্য রফতানি করেছে চীনে। ২০২২ সালের আগস্টে রফতানির পরিমাণ ছিল ৯০০ কোটি ইয়েন।

চীন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর থেকেই জাপান সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। দাবি করেছে, ফুকুশিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঘটনায় তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা খুবই কম, যা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার মানদণ্ডে উপেক্ষা করা যায়।

এদিকে তেজস্ক্রিয়তা ইস্যুতে হংকং সরকার খুব দ্রুত চীনের সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করে। জাপানের চিহ্নিত ১০ স্থান থেকে সামুদ্রিক পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তার মধ্যে ফুকুশিমার নামও রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য থেকে দেখা যায়, হংকংয়ে রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৬ শতাংশ কমে ১৪০ কোটি ইয়েনে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে চীন ও হংকংয়ের পর জাপানি সামুদ্রিক পণ্য নিষিদ্ধ করা নিয়ে সরব হয়েছে রাশিয়াও। দেশটির খাদ্য তদারকি সংস্থা রোসেলখোজনাদজর এক বিবৃতিতে বলেছে, সামুদ্রিক পণ্যে তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি বিবেচনা করে শিগগিরই জাপানি সামুদ্রিক পণ্যে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে টোকিওর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।