রুশ ভাড়াটে গোষ্ঠী ভাগনারকে সন্ত্রাসী
গোষ্ঠী হিসেবে নিষিদ্ধ করছে যুক্তরাজ্য সরকার। এর অর্থ দাড়াঁয় এ গোষ্ঠীর সদস্য হলে
বা সমর্থন করলে তা বেআইনি বলে বিবেচনা করা হবে। খবর বিবিসি।
একটি খসড়া আদেশ দেশটির সংসদে পেশ করা
হলে ভাগনারের মালিকানায় থাকা সম্পদ ‘সন্ত্রাসী সম্পত্তি’ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ হবে ও বাজেয়াপ্ত
করা যাবে।
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা
ব্র্যাভারম্যান বলেন, ‘ভাগনার হিংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক... ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার
একটি সামরিক হাতিয়ার।’
তিনি আরো বলেন, ইউক্রেন ও আফ্রিকায়
ভাগনারের কর্মকাণ্ড বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাদের অব্যাহত অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড
ক্রেমলিনের রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণে অব্যাহত রয়েছে।
ভাগনার কেন সন্ত্রাসী ও কেন নিষেধাজ্ঞার
আদেশ; যুক্তরাজ্যের আইনে তা স্পষ্ট। ভাড়াটে সেনার দলটি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পাশাপাশি
সিরিয়া, লিবিয়া ও মালিসহ আফ্রিকার দেশগুলোতে কাজ করেছে। এর যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের
নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতনসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র জানায়,
ভাগনার সেনারা লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির চারপাশে ল্যান্ডমাইন বসিয়েছিল। গত জুলাইয়ে
যুক্তরাজ্য দাবি করে, এ গোষ্ঠীটি মালি ও মধ্য আফ্রিকায় হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন চালিয়েছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পক্ষে ভূমিকা রাখলেও
মাস কয়েক আগে বিদ্রোহ করে ভাগনার। গ্রুপের প্রধান ইয়েভগিনি প্রিগোজিন তার সেনাদের নিয়ে
মস্কো অভিমুখে রওনাও করেন। ওই সময় ভ্লাদিমির পুতিন ‘বিশ্বাসঘাতক’দের জন্য সাধারণ ক্ষমা
ঘোষণা করেন। এরপর গত ২৩ আগস্ট মস্কোর অদূরে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিগোজিন।










