যুক্তরাষ্ট্রে রেনাল্ড কোরান রিড নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছিল পুলিশ। অথচ এমন অপরাধে তাকে আটক করা হয় যেখানে তিনি কখনো যাননি। পরে জানা যায়, ফেসিয়াল রিকগনিশন টেকনোলজি বা মুখমণ্ডল চিহ্নিতকরণ প্রযুক্তির ভুল ব্যবহারের শিকার হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। খবর এপি। 

রেনাল্ড জানান, থ্যাংকসগিভিং ডে’র আনন্দঘন পরিবেশে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে জর্জিয়া থেকে আটক হন। আটকের পর পুলিশ তাকে এমন এক মার্কিন অঙ্গরাজ্যের কথা বলেন যেখানে তিনি কখনো যাননি।

পুলিশ তাকে লুইজিয়ানা রাজ্যের একটি অপরাধী চক্রের সদস্য সন্দেহে আটক করেছিল।

সাংবাদিকদের রেনাল্ড জানান, কী ঘটছিল তিনি কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। খুবই রেগেছিলেন। কারণ কেন আটক করেছে পুলিশও কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছিল না। তারা শুধু বলছিল, আপনাকে লুইজিয়ানা নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এমনকি অপেক্ষা কতক্ষণ হতে পারে তারও জবাব পাননি।

এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্তকরণের জটিলতায় ভুল মানুষকে আটকের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রেনাল্ড পাঁচ নম্বর ব্যক্তি যিনি এমন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আগে আটক হওয়া চারজনই ছিলেন কৃষাঙ্গ।

এছাড়া এ প্রযুক্তির ভুল প্রয়োগের মাধ্যমে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকেও আটক করেছিল পুলিশ।

ক্ষুব্ধ রেনাল্ড গত ৮ সেপ্টেম্বর দুই পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আটলান্টার ফেডারেল আদালতে মামলা করেছেন।

আইনশৃংখলা বাহিনীর দাবি, অপরাধী শনাক্ত করতেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার করেন তারা। কিন্তু সাম্প্রতিক বিপত্তিগুলোর উদাহরণ টেনে সমালোচকরা বলছেন, এ প্রযুক্তি শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গদেরই ভুলভাবে চিহ্নিত করছে।