চীনা নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ জোরদার করার লক্ষ্যে তাইওয়ান প্রথম সাবমেরিন উন্মোচন করেছে। যার নাম দেয়া হয়েছে হাইকুন। তাইওয়ানের বন্দরনগরী কাউসিউংয়ে সাবমেরিনটি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। খবর রয়টার্স।
তাইওয়ান একটি স্বশাসিত দ্বীপ। চীন দ্বীপটিকে নিজেদের বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রদেশ হিসেবে মনে করে ও তা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেছে। তাইওয়ান সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশীয় সাবমেরিন প্রোগ্রামকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। বেইজিংয়ের ঘন ঘন সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করছে বিশ্লেষকরা।
সাই তাইওয়ানের অর্জনের তাৎপর্য প্রকাশ করে বলেন, অতীতে আমাদের পক্ষে একটি উন্নত সাবমেরিন তৈরি অসম্ভব কাজ হিসেবে বিবেচিত করা হতো। কিন্তু আজ আমাদের দেশের মানুষের তৈরি ও ডিজাইন করা সাবমেরিন আমাদের চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এটি তাইওয়ানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে।
সম্প্রতি তাইওয়ানের আকাশে চীনের যুদ্ধবিমানের মহড়ার পর আবারো উত্তাল চীন-তাইওয়ান সম্পর্ক। চলছে পাল্টাপাল্টি হুমকি ও অভিযোগ, বাড়ছে উত্তেজনা। এক চীন এক নীতির জন্য দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর সামরিক, অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে বেইজিং।










