সার্বিকভাবে দেশের
বীমা খাত
কেমন চলছে,
আপনার কাছে
জানতে চাই।
সত্য
কথা
যদি
বলি,
আসলে
বীমা
খাতে
বাংলাদেশের
জন্য
ভালো
একটা
সম্ভাবনা
আছে।
আমরা
ইউনাইটেড
ইন্স্যুরেন্স
কোম্পানি।
আমরা
কোনো
সময়
নিয়ন্ত্রণ
সংস্থার
নিয়মকানুনের
বাহিরে
যাই
না।
কাজ
করতে
গিয়ে
অনেক
সমস্যার
মুখোমুখি
হই।
বিশেষ
করে
বেআইনি
চর্চা
এক্ষেত্রে
বেশি
হচ্ছে।
এ
চর্চার
কারণে
বীমা
খাত
উন্নত
হচ্ছে
না।
আমাদের
যারা
গ্রাহক,
তারা
কিন্তু
বীমা
সম্পর্কে
এতটা
সচেতন
নন।
এমন
একটি
চিন্তা
থাকে—যে
বেশি
কমিশন
দেবে
তার
সঙ্গে
কাজ
করব।
অথচ
বীমা
কোম্পানিগুলো
রিস্ক
নিয়ে
কাজ
করে।
কোন
কোম্পানির
সঙ্গে
কাজ
করলে
কী
লাভ
হবে,
গ্রাহক
এটা
বোঝেন
না।
গ্রাহকরা
ভাবেন—একটা
বীমা
করতে
হবে,
তাই
করছি।
বীমা কোম্পানিগুলোকে উন্নত করতে
করণীয় কী?
বীমা
কোম্পানিগুলোকে
উন্নত
করতে
হলে
প্রথমেই
বীমা
বাধ্যতামূলক
করতে
হবে।
প্রতিটি
খাতেই
এটি
চালু
করতে
হবে।
দ্বিতীয়
বিষয়
হলো,
নিয়োগ
প্রক্রিয়ায়
দুর্বলতা
দূর
করতে
হবে।
অনেকে
আছেন,
যারা
বীমা
জগতে
আসেন,
তারা
কোথাও
যখন
চাকরি
পান
না,
তখন
শেষ
উপায়
হিসেবে
বীমাকে
বেছে
নেন।
তারা
জানেন,
এখানে
এলেই
চাকরি
পেয়ে
যাবেন,
যার
কারণে
মেধাবীরা
আসছেন
না
এ
জগতে।
বিশেষ
করে
মার্কেটিং
বিভাগে।
আমি
বলব,
এ
জগতে
যিনি
আসবেন,
তাকে
ক্যারিয়ার
নিয়ে
আসতে
হবে
যেন
ধারাবাহিকভাবে
ওপরে
উঠতে
পারেন।
এমনটি
হলে
ভবিষ্যতে
তিনি
নেতৃত্ব
দিতে
পারবেন।
কিন্তু
বর্তমানে
এটি
একটি
মারাত্মক
সমস্যা।
সমস্যা
সমাধানে
বীমা
কোম্পানিগুলোরও
দায়িত্ব
আছে।
নিয়োগের
প্রক্রিয়া
যেন
ঠিক
রাখা
হয়।
যাকে
নেয়া
হবে
তিনি
যেন
নিজেকে
এ
জগতে
প্রতিষ্ঠিত
করেন।
তাহলে
জিডিপিতে
বীমা
খাতের
অবদান
বাড়বে।
সর্বোপরি
বীমা
বাধ্যতামূলক
করা,
নিয়োগের
প্রক্রিয়া
ঠিক
রাখা
এবং
লেভেল
প্লেয়িং
ঠিক
রাখা।
এগুলো
ঠিক
করতে
পারলে
আমরা
ভালো
একটা
পর্যায়
যেতে
পারব।
বীমা
খাতে নতুন
পণ্য নিয়ে
কোনো চিন্তাভাবনা আছে আপনার?
আমাদের
প্রচলিত
খাতে
ব্যবসা
বেশি
হয়।
এর
পেছনে
কারণ
হচ্ছে
বাধ্যতামূলক।
অনেক
নতুন
নতুন
পণ্য
আছে,
পৃথিবীর
সব
জায়গায়
হয়,
আমাদের
দেশে
হয়
না।
এর
মূল
কারণ
সচেতনতার
অভাব।
তবে
চার
বছর
ধরে
নতুন
একটা
প্রডাক্ট
নিয়ে
কথা
চলছে,
যদিও
এর
অগ্রগতি
হয়নি।
সেটি
হলো
ব্যাংক
অ্যাসিওরেন্স।
সম্প্রতি
বাংলাদেশ
ব্যাংকে
এ
সংক্রান্ত
একটা
খসড়া
জমা
দেয়া
হয়েছে
।
এটি
বাস্তবায়ন
হলে
ব্যাংক
অ্যাসিওরেন্স
হিসেবে
মার্কেটে
নতুন
পণ্য
আসবে। ব্যাংকের
সঙ্গে
বীমা
কোম্পানির
একটা
চুক্তি
হবে,
চুক্তির
বিনিময়ে
ব্যাংক
একটি
আউটসোর্সিং
থেকে
উন্নতি
করবে,
সে
অনুযায়ী
বীমা
কোম্পানিকে
বণ্টন
করে
দেবে।
নতুন
আরেকটি
পণ্য
আছে,
সেটি
হলো
প্রফেশনাল
ইনডেমনিটি
পলিসি।
এটি
ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের
জন্য।
ভুলবশত
কিছু
হয়ে
থাকলে
ক্ষতিপূরণ
হিসেবে
বীমা
কোম্পানি
এটি
বহন
করবে।
এটা
কিন্তু
বাংলাদেশে
আছে,
তবে
ওভাবে
চালু
হয়নি।
আরেকটি
হলো
ডিরেক্টরস
ইন্স্যুরেন্স
পলিসি।
যদি
কোম্পানি
পরিচালকদের
কারো
লস
হয়
তাহলে
বীমা
কোম্পানি
সেটি
বহন
করবে।
তবে
এসব
পলিসি
এখনো
বাংলাদেশে
চালু
হয়নি।
আমরা
এসব
পলিসি
নিয়ে
বিদেশীদের
সঙ্গে
মিটিং
করেছি।
এটি
চালু
করতে
সরকারের
পক্ষ
থেকে
সিদ্ধান্ত
আসতে
হবে।
এছাড়া
প্রতিটি
সেক্টরে
বীমা
বাধ্যতামূলক
করতে
হবে।
এটা
করতে
পারলে
নতুন
নতুন
পণ্য
এমনিতেই
বের
হয়ে
আসবে।
ইদানীং
সরকার
হেলথ
ইন্স্যুরেন্সের
দিকে
নজর
দিচ্ছে।
এ
হেলথ
ইন্স্যুরেন্স
যদি
ডেভেলপমেন্ট
করা
হয়,
এ
সেক্টর
থেকে
হিউজ
পরিমাণে
প্রিমিয়াম
জেনারেট
করতে
পারবে।
এর
মাধ্যমে
কয়েকটি
উপকার
হবে।
কোম্পানির
গুরুত্ব
বাড়বে,
জিডিপির
প্রবৃদ্ধি
বাড়বে,
প্রতিটি
ব্যক্তির
হেলথ
ইন্স্যুরেন্স
কাভার
থাকবে।
গ্রাহকরা অনেক
সময় অভিযোগ করেন বীমাদাবির বিপরীতে চাহিদা মত অর্থ
পাওয়া যায়
না
না, এ
ধরনের
বিষয়
আমাদের
কোম্পানিতে
দেখিনি,
অন্যদের
বিষয়ে
বলতে
পারি
না।
কিন্তু
ক্লায়েন্ট
তো
নিজের
ক্ষতি
এড়ানোর
জন্য
অনেক
কিছু
বলবেন।
সেটার
সত্যতা
নির্ভর
করবে
সার্ভে
রিপোর্টের
ওপরে।
ক্লেইম
সার্ভে
হয়তো
বলল,
তিনি
৬
টাকা
পাওয়ার
যোগ্য,
সেখানে
তিনি
হয়তো
বললেন,
না,
৯
টাকা
দিতে
হবে।
সেখানে
নেগোশিয়েট
করা
যায়।
আপনার
ক্ষতি
হয়েছে
১০
টাকা।
আমি
আপনাকে
২০
টাকা
দেব
কোথা
থেকে?
তারা
বলেন,
ইন্স্যুরেন্স
কোম্পানি
প্রপার
ক্লেইমটা
দেয়
না।
অনেক
সময়
গার্মেন্ট
খাতে
স্টক
লট
হয়ে
গেলে
গোডাউনে
আগুন
লাগিয়ে
বীমাদাবি
করার
প্রবণতা
দেখা
যায়।
প্রধানমন্ত্রীও
গতবার
এ
রকম
কথা
বলেছিলেন,
‘আপনারা তো
আগুন
লাগায়া
ক্লেইম
করে
বসেন।’
ইন্টারন্যাশনাল
বাজারে
যখন
জুটের
ওঠানামা
করে
তখন
দেখা
যায়
জুট
তারা
যে
দামে
কিনে
নিয়ে
আসেন,
মার্কেট
তার
তুলনায়
ডাউন
হয়ে
যায়।
আগুন
লাগিয়ে
দেয়।
সেজন্য
আমরা
জুটে
ব্যবসা
করি
না।
কভিডের কারণে
গত দুই
বছর যাবত
বিভিন্ন খাত
ক্ষতির মুখে
পড়েছে, এ
সময়ে বীমা
কোম্পানি ব্যবসায় কী প্রভাব পড়েছে, বর্তমানে ব্যবসায় কী
অবস্থা?
কভিড
যখন
শুরু
হলো,
তখন
বীমা
কোম্পানি
কিন্তু
ডিজিটালাইজেশন
শুরু
করেনি।
কিন্তু
কভিড
আমাদের
অনেক
পথ
দেখিয়ে
দিয়েছে,
অনেক
কিছু
গ্রহণ
করতে
হয়েছে।
সেটার
জন্য
লকডাউনে
অনলাইনে
বিজনেস
সার্ভিস
দেয়ার
চিন্তা
আসে
মাথায়।
ওই
সময়ে
ফার্মাসিউটিক্যাল
কোম্পানিগুলোকে
আমরা
অনলাইন
বীমা
সেবা
দিয়েছি।
সে
সময়
সময়
আমাদের
কিছুটা
ঘাটতি
হয়েছে
কিন্তু
লোকসান
হয়নি
।
আমরা
কাউকে
চাকরিচ্যুত
করিনি,
সবাই
নিয়মিত
বেতন
পেয়েছেন।
আর
সেটা
সম্ভব
হয়েছে
ব্যবসা
চলেছে
বলেই।
এটার
একটা
দিক
ছিল
যে
ভবিষ্যতের
ডিজিটালাইজেশনটা
ডেভেলপ
করে
গেল।
তবে
সেটার
একটা
দিক
রয়েছে
যে
চাকরি
হারানোর
সংখ্যা
বেড়ে
যাবে।
তথ্য
প্রযুক্তিতে
যাদের
ভালো
ধারণা,
তারাই
সাসটেইন
করবে,
বাকিরা
করবে
না।
বর্তমান
ব্যবসায়িক
পরিস্থিতি
কভিডকালীন
পরিস্থিত
থেকে
ভালো
আছে।
কারণ
অনেক
ক্লায়েন্ট
আমরা
পেয়েছি।
ব্যাবসায়িক আয়ের
একটি অংশতো
বীমা কোম্পানিগুলো বিভিন্ন খাতে
বিনিয়োগ করে
থাকে।
হ্যা। আমরা
ব্যাংক
ডিপোজিট,
সরকারি
সিকিউরিটিজ
ও
পুঁজিবাজারে
বিনিয়োগ
করে
থাকি।
এরমধ্যে
ব্যাংকের
সুদের
হার
কমে
যাওয়ায়
এ
খাত
থেকে
আয়
কমেছে।
তবে
সরকারি
সিকিউরিটিজে
বিনিয়োগে
ভালো
রিটার্ন
আসে,
পুঁজিবাজারে
বিনিয়োগ
করেও
আমরা
ভালো
আয়
করেছি।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মেহেদী হাসান রাহাত





