২০১৭ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ্বই গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটির সম্মুখীন তা হলো, উইলিয়াম ইয়েটসের ‘থিংকস ফল অ্যা পার্ট; দ্য সেন্টার ক্যাননট হোল্ড’ অভিশঙ্কাই কি সত্যি হতে যাচ্ছে? তবে কি ‘মন্দের তীব্রতায় সমস্ত বিশ্বাস ভেঙে পড়ছে?’ ব্যর্থতা অনুধাবনের সময় এখনো না এলেও তা অবজ্ঞা করার কোনো উপায় কিন্তু নেই।

আমেরিকায় বর্তমানে এমন একজন রাষ্ট্রপ্রধান রয়েছেন, যিনি নিয়মিত নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে পারমাণবিক শক্তিধর দেশের নেতা থেকে শুরু করে দেশের সংবাদ মাধ্যম, এমনকি তার নিজের মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের আক্রমণ ও উসকানিমূলক উক্তি পোস্ট করে থাকেন। বিপরীতভাবে তিনি তার বিভিন্ন পোস্টে গণতন্ত্র, সহনশীলতা ও আন্তর্জাতিক আইন অবমাননাকারীদের প্রশংসা করেন।

বিগত সময়ের তুলনায় চীন, রাশিয়া, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলো অনেক বেশি কর্তৃত্বপূর্ণ, জাতীয়তাবাদী ও আগ্রাসী ভঙ্গিতে বিশ্বব্যাপী নিজেদের তুলে ধরছে। উত্তর কোরিয়া, যাদের রয়েছে দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র উেক্ষপণের সামর্থ্য, আর এমন একটি দেশ পরিচালিত হচ্ছে যুদ্ধভাবাপন্ন ও খামখেয়ালি এক নেতৃত্ব দ্বারা।

২০১৭ সালকে ঘিরে ইউরোপকেও বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত, কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জার্মানির সাধারণ নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থী পার্টির পার্লামেন্টে জয় এবং ইউরোপীয় নির্বাচনে আগের তুলনায় বিভিন্ন ডানপন্থী দল ও তার প্রার্থীদের অবস্থার উন্নতি। এদিকে নভেম্বরের মাঝামাঝি ‘শ্বেতাঙ্গ ইউরোপ’-এর দাবিতে পোল্যান্ডের ওয়ারশয় ৬০ হাজার লোক একটি মিছিলে অংশ নিয়েছে।

এসব ঘটনাবলিতে তীব্র আবেগতাড়িত উপাদানগুলো উল্লেখযোগ্য। এটি সাধারণত ঐতিহ্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ধারণা দ্বারা পরিচালিত হয়, যা কিনা কয়েক দশক ধরে তৈরি হওয়া মানব ইতিহাসের অন্যতম অর্জন মানুষের জীবনযাপনের মান, মানবিক মুক্তি, বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক অগ্রগতি, দুর্দশা-যন্ত্রণা লাঘব কিংবা অকাল ও সহিংস মৃত্যুহার হ্রাস ইত্যাদি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তাহলে সবকিছু কি সংগঠিত থাকবে? ভারসাম্য বিন্দুটিকে কি ধরে রাখা যাবে? এ অবস্থায় আর্থিক বাজারগুলো কিন্তু চমকপ্রদ আশাবাদ ব্যক্ত করে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের বছর ঐতিহাসিকভাবে স্টক মার্কেট ভলাটিলিটি ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশিত উদ্বায়িতা সূচকের মাত্রা কমে যাওয়ার মাধ্যমে আমেরিকার শেয়ারবাজার একের পর এক রেকর্ড ভেঙে দেয়। তাছাড়া বিশ্বের অন্যত্র শেয়ারবাজারের অবস্থাও আগের তুলনায় উন্নত হয়।

উচ্চ ইকুইটি মূল্য ও নিম্ন উদ্বায়িতা (ভলাটিলিটি) যদিও আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, তবে এটি শেয়ারবাজারের ফলাফল এবং ভূরাজনীতির পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত বিষয়কে সীমিত পরিসরে প্রতিফলিত করে। উদাহরণস্বরূপ, জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমণ, প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ড ও নাইন/ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার মতো ঘটনাবলিতে অর্থনীতিতে তেমন কোনো স্থায়ী প্রভাব পড়েনি। বহির্বিশ্বের কোনো গুরুত্বপূর্ণ খবর ছাড়াই শেয়ারবাজারের বড় ধরনের তোলপাড় নাইন্টিনএইট্টিসেভেন ক্র্যাশ সংঘটিত হয়।

শেয়ারবাজারের তেজি আবহের কারণ ছিল স্বতন্ত্র কোম্পানিগুলোকে অন্তর্ভুক্তকরণ, যার ফলে এ বছর  উল্লেখযোগ্য পরিমাণে করপোরেট মুনাফা বেড়েছে এবং এটি আগে থেকেই আন্দাজ করা সম্ভব হয়েছে। তবে এ অবস্থা কতদিন বজায় থাকবে, তা মূল্যায়ন করা কঠিন, আর এক্ষেত্রে একটি ঝুঁকিও রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ক্রমান্বয়ে লিভারেজ বা মার্জিন ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে অথবা কৌশল প্রয়োগ করে যেমন— পোর্টফলিও ইন্স্যুরেন্সের এককালীন সংস্কার— যদি বাজার পড়ে যায়, সেক্ষেত্রে এ কারণগুলোর জন্য তারা শেয়ার বিক্রি করে দেয়। তাই পূর্বাভিজ্ঞতা স্মরণ করে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, ১৯৮৭-এর দুর্ঘটনা-পূর্ববর্তী বাজারে তেমন কোনো আভাস টের পাওয়া যায়নি।

প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাস্থ্য নিয়েও। সংকটের আগে যদিও বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের মূলধন ও তারল্যের পরিমাণ সন্তোষজনক দেখায়। তবে ঝুঁকি নির্ণায়ক বাজার সূচকগুলো ইঙ্গিত দেয়, এ অবস্থায় আমাদের পক্ষে অনেক দূর পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হবে না।

দৃশ্যত, মূলধনের বড় ধরনের বৃদ্ধি ও লিভারেজের পরিমাণ কমে যাওয়া সত্ত্বেও এটি প্রতীয়মান হয় না যে, ব্যাংক স্টক তুলনামূলকভাবে কম উদ্বায়ী হয়ে উঠেছে, যদিও আর্থিক তত্ত্ব অনুযায়ী পুঁজির আধিক্য ঘটবে। ট্রাম্পের মাধ্যমে বর্তমান আর্থিক বাজারে এক ধরনের স্বস্তি ছড়িয়ে পড়ায় তা রীতিমতো উদাহরণে পরিণত হয়েছে। তবে আর্থিক সংকটের মধ্যে শেয়ারবাজারের পুনঃপতন সম্ভবত আরো বেশি বিকৃত জনপ্রিয় জাতীয়তাবাদী নেতাকে ক্ষমতায় বসানোর মাধ্যমে বিপর্যয়কর রাজনৈতিক ফলাফল বয়ে আনতে পারে। আর এমন একটি পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব নয়।

বাজারমূল্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঝুঁকির বাইরেও আর্থিক মন্দার প্রশ্নটি রয়ে যায়। তবে শুভসংবাদটি হচ্ছে, বিশ্বের বেশির ভাগ জায়গায়ই ইতিবাচক মনোভাব বজায় রয়েছে। তাছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে আসা কিংবা সংকোচনমূলক রাজস্ব ও আর্থিক নীতির দিকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বেশির ভাগ পূর্বাভাসদাতাই ভবিষ্যৎ মন্দার ঝুঁকি কম বলে মনে করছেন।

হিসাব অনুযায়ী, আগে থেকে আর্থিক মন্দা অনুমান করতে কখনই কেউ সফল হয়নি, এমনকি ছয় মাস আগে থেকেও এটি অনুমান সম্ভব নয়। ট্রাম্প প্রশাসনের সমস্যাকবলিত অর্থনৈতিক নেতৃত্বের কারণে বর্তমান আমেরিকা দীর্ঘ সময়ের জন্য একটি সম্প্রসারিত অবস্থার মধ্যে প্রবেশ করেছে। আর এ অবস্থায় নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকাটাই স্বাভাবিক।

এ অবস্থায় আমি আসন্ন বছরগুলোয় মন্দার সম্ভাবনা ধরব ২০-২৫ শতাংশ। এর মানে তিন বছরের মধ্যে আমেরিকান অর্থনীতি মন্দার সম্মুখীন হবে। আর এ অবস্থাটি আগের তুলনায় খুব একটা খারাপ নয়। কারণ আগে থেকেই মন্দার বিষয়টি অনুমান করা সম্ভব হচ্ছে।

সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে দেখা যাবে, এক্ষেত্রে ঝুঁকিটি হচ্ছে মন্দা মোকাবেলার প্রচলিত কৌশলগুলো। যেমন সুদহার শূন্য নির্ধারণ করে ফেডারেল তহবিল হারের ৫০০ বেজ পয়েন্ট হ্রাস করাটা এ বছর সম্পূর্ণ নিরর্থক হবে। তাছাড়া এটি পরিষ্কার নয় যে, এর মাধ্যমে রাজস্ব সম্প্রসারণ সম্ভব হবে কিনা।

এর মানে পরবর্তী মন্দাটি শেষের মতো গুরুতর বৈশ্বিক পরিণতিসহ দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর হতে পারে। তাছাড়া বিশ্বব্যাপী প্রভাব সৃষ্টির জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়ের অভাব দেখা দেবে, যেমনটা ২০০৯ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে আমরা দেখেছি। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওমাবা ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউনকে নিয়ে বৈশ্বিক মনোভাবের কথা মনে করুন। এরপর ট্রাম্প ও টেরিসা মে সম্পর্কিত বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির তুলনা করুন। আমি উত্কণ্ঠিত হই যে, মন্দা পরিস্থিতি কত বেশি ভয়াবহ হলে রাজনীতি ও নীতির কাছে তা গুরুত্ব পাবে তা ভেবে। এটি কল্পনা করা কঠিন যে, সংরক্ষণবাদ, লোকরঞ্জনবাদ এবং অন্যের ভুলের দায় এড়িয়ে পুনরুত্থান সম্ভব। তাছাড়া এ ধরনের আরো একটি আর্থিক সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বিন্দুটিকে ধরে রাখা যাবে না।

আমি মনে করি, কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিটি কিন্তু মন্দা কিংবা বাজারের পতন নয়। বরং এটি হবে ভয়াবহ একটি রাজনৈতিক পরিণতি, যেখানে ভোটদাতারা মনে করবেন, সরকার কার্যকরভাবে তাদের জন্য কাজ করছে না। অস্বচ্ছ প্লাটফর্মে নির্বাচিত প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন, পরবর্তীতে তারা অধিক অসস্তুষ্টির কারণ হন এবং আরো বেশি সমস্যাগ্রস্ত নেতৃত্ব সৃষ্টি করেন। নৈরাশ্যবাদের পরিব্যাপ্তি ঘটে।

আমেরিকান সিনেট আসনের জন্য রয় মুরের প্রার্থিতাকে আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন? মুর, যিনি কিনা আলাবামা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে দু-দুবার বরখাস্ত হয়েছেন, ৩০ বছর বয়সে অল্পবয়স্ক তরুণীদের ওপর যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মার্কিন সিনেটে যখন এমন একটি লোকের প্রবেশ ঘটে, তখন এটি সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, তার সতীর্থরা ভিন্নপথের আশ্রয় নিয়েছেন।

একটি দেশের জনগণ যদি সরকারের ওপর থেকে তাদের বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে কিংবা বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, সরকারের পক্ষে জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন সম্ভব নয়, তখন সরকারের পক্ষ থেকে জনসমর্থন পুনরুদ্ধার করতে কেবল চিহ্নিত হুমকিগুলোর বিপরীতে কিছু প্রণোদনা গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে সমাজে বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে কলঙ্কিত করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। আর ঠিক এ কারণেই সরকারি কর্মকর্তারা বহির্বিশ্বের হুমকিগুলোকে অনেক বড় করে তুলে ধরতে থাকেন।

বিশ্বব্যাপী আমরা এর প্রতিফলন দেখছি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও চীনের শি জিনপিং সবাই জাতীয়তাবাদকে তাদের শাসন কৌশলের প্রধান অংশ করে নিয়েছেন। তেমনি ট্রাম্পও, যিনি স্পষ্টভাবেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ধারণার ভিত্তিতে প্রত্যাখ্যান করেছেন যে, জাতি-রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেতে নিরন্তর লড়াই বিদ্যমান।

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ট শক্তি যখন ৭৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ভিক্তিক ধারণাকে সমর্থন করার পর অ্যাডহক চুক্তির জন্য তা প্রত্যাখ্যান করে, তখন অন্যদের সামনে তা অনুসরণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। এদিকে নিরাপত্তা ইস্যুতে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল, তারা তাদের আস্থা হারিয়েছে এবং নিজেদের নিরাপত্তা জোরদার করতে শুরু করেছে।

কঠিন হলেও পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কর, নিয়ন্ত্রণবিধি কিংবা বাজেটনীতির পরিবর্তন করা যেতে পারে। তাছাড়া এমন একটি ধারণারও বিস্তার ঘটছে যে, আমেরিকা এখন আর তার মিত্রদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত নয়। তাই আমেরিকা তার আগের অঙ্গীকারগুলো পুনরায় পূরণে উদ্যোগী হলেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী হিসেবে তাদের তাত্ত্বিক গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাছাড়া অন্য দেশগুলো যখন নতুনভাবে ভিন্ন কর্মপন্থাগুলোকে নিয়ে আগ্রসর হতে শুরু করবে, তখন তারা পুনরায় বিপরীত কার্যধারা গ্রহণে অনিচ্ছুক হতে পারে।

তবে কি ভারসাম্য বিন্দুটিকে ধরে রাখা সম্ভব হবে? আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলাগুলোর স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে? উত্তরটি ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত এবং অন্য সরকারপ্রধানদের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে নিহিত। এক্ষেত্রে অন্য দেশগুলোর কাছে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের চেয়ে অনেকি বেশি বিবেচিত হবে ক্রমশ তার জনপ্রিয়তার অবনতির বিষয়টি। তাই বিগত সবসময়ের চেয়ে গণতন্ত্র, নিজেদের সমৃদ্ধি ও বিশ্বসম্প্রদায়ের নেতৃত্বের প্রশ্নে আমেরিকানদের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রচার করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

 

লেখক: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট

ভাষান্তর: রুহিনা ফেরদৌস