দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে আমি সিঙ্গাপুর বসবাস করছি। এখান থেকে বৈধপথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাই। রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে শুরুর দিকে যে সমস্যাগুলো ছিল সেটি এখন আর নেই। সিঙ্গাপুরে যে চারটি বাংলাদেশী এক্সচেঞ্জ হাউজ রয়েছে তারা গ্রাহকদের ডোর-টু-ডোর যাচ্ছে। বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এটি কর্মকর্তারা গ্রাহকদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণে বাংলাদেশে অনেক রেমিট্যান্স যাচ্ছে। সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানের জন্য আমরা বাংলাদেশ হাইকমিশনকে জানিয়েছি। তারা সমস্যা সমাধানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবেন সবাইকেই বলব, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের যেনে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়। প্রায় ২৫ বছর পর বণিক বার্তার পক্ষ থেকে রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে এবার সংবর্ধিত হলাম। এটি আমার মতো একজন প্রবাসীর জন্য অনেক আনন্দ ও গর্বের। আয়োজক ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ভবিষ্যতেও সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের জন্য এমন আয়োজন অব্যাহত থাকুক।

মো. মনিরুজ্জামান: গ্রাহক, প্রাইম এক্সচেঞ্জ, সিঙ্গাপুর