একটা দেশের উন্নতির জন্য মূল শর্ত তাদের জনশক্তিকে পরিকল্পনা ও খাতভিত্তিক দক্ষ করে তোলা। অন্যথায় আমরা ওপরে উঠতে পারব না। জার্মানি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে পৃথিবীর এক নম্বর পরাশক্তি ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে হেরে যাওয়ার পর একদম ধুলোয় মিশে যায়। সেখান থেকে আবার তারা ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হলো। তারা শিশু বয়স থেকেই বাচ্চাদের নিয়ে পরিকল্পনা করে এগোয়। আমাদেরও সেভাবে এগোনো উচিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আবার জার্মানি পৃথিবীর সবচেয়ে বা ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হলো। এ রূপান্তরের মূলে ছিল জনশক্তির সঠিক ব্যবহার। তারা ১২-১৩ বছর পর্যন্ত শিশুদের একসঙ্গে পড়াশোনা করায়। শতভাগ শিশু কখনো একই রকম মেধার অধিকারী হতে পারে না। মেধা ও সম্ভাবনা অনুযায়ী শিশুদের চিহ্নিত করে বিভিন্ন পেশায় তাদের পরিচালিত করে। যেসব শিশু পড়াশোনায় কম আগ্রহী, তাদের শিল্প খাতের জন্য প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করে। ফলে ১৮ বছর বয়স শেষ হলেই তারা চাকরি পেয়ে যায়, অত্যন্ত সুন্দর জীবনযাপন করে। বিপরীতে আমাদের দেশে শতভাগ লোক পাস করে শেষ পর্যন্ত চাকরিবাকরি পায় না। আপনারা যারা বিদেশে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন, তারা হয়তো হাজারে বা লাখে একজন।