দেশে বিবিএ-এমবিএ করে ২০১২ সালে আমি সিঙ্গাপুরে আসি। এখানে এসে নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (এনটিইউ) থেকে মাস্টার্স করি। অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করি আমার ভাইয়ের কোম্পানিতে। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সেখানেই ছিলাম। পরের বছর নিজে ব্যবসা শুরু করি। শুরুতে নানা সংকট থাকলেও এখন আমার কোম্পানিতে একশর বেশি বাংলাদেশী চাকরি করছেন। এছাড়া ২৬ জন সিঙ্গাপুরের নাগরিকও আছেন। রেমিট্যান্স বাড়ানো নিয়ে কথা হচ্ছে। আমি এ নিয়ে কিছু কাজ করেছিলাম। আমাদের কোটির বেশি প্রবাসী আছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ৫০ শতাংশ বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। বাকিদের টাকা হুন্ডিতে চলে যায়। সিঙ্গাপুরেও অনেককে বৈধ পথে, আবার অনেককে হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে দেখেছি। প্রবাসীদের বৈধপথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন দেশ নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়। অনেক দেশে বিভিন্ন ধরনের বন্ড আছে। আমাদেরও এমন সুযোগ চালু করা যেতে পারে। প্রবাসীরা বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠালে সাবর্জনীন পেনশনের আওতায় তার ১ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে যুক্ত হবে এমন বিধান করতে পারে। এটি করলে প্রবাসীরা বৈধপথে পাঠাতে উদ্বুদ্ধ হবেন। কারণ সবাই ভবিষ্যতের জন্য কিছু রাখতে চায়। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে ২০-২৫ বছর কাটানোর পরও অনেক প্রবাসী দেশে গিয়ে দেখেন তার কিছুই নেই।
মো. শাহাদাত হোসেন ইমন: গ্রাহক, প্রাইম এক্সচেঞ্জ, সিঙ্গাপুর










