সিঙ্গাপুরে চাকরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য যারা আসে, ঢাকায় বসে তাদের আমরা কোনো ধরনের সিকিউরিটি ছাড়াই ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দিই। এ টাকা দিয়ে তারা প্লেনের টিকিট বা অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় সারতে পারেন। আবার তিন বছর মেয়াদে ৩ লাখ টাকা পর্যন্তও ঋণ দিই।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর আমাদের জীবনযাপনের ব্যয় অনেক বেশি বেড়ে গিয়েছিল। মূল্যস্ফীতি দুই সংখ্যায় ছিল। সেখান থেকে জুন নাগাদ ৭ শতাংশের কাছাকাছি চলে এসেছে। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও গভর্নরকে কৃতিত্ব দিতে হয়।

ডলারের বিনিময় হার যখন নির্দিষ্ট করে দেয়া হতো, তখন দেখলাম ৮৫ থেকে ১২৫ টাকার বেশি হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে অনেক ব্যবসা-বাণিজ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের প্রবাসী ও রফতানিকারকরা এটাকে ভালোভাবে নিয়েছিল। কিন্তু যারা আমদানি করে, তাদের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। এটা ধীরে ধীরে হলে হয়তো সমস্যা হতো না। হঠাৎ করেই ৪০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল। এখন ডলারের মূল্য বাজারভিত্তিক করে দেয়ায় স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। ফলে হুন্ডি ব্যবসায়ীও একদম কমে গেছে।