অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের ডিভাইস বাজারে উন্মুক্ত করার তারিখ আগামী বছর পর্যন্ত পেছাতে পারে। সম্প্রতি এ বিষয় নিশ্চিত করেছে কোম্পানিটির একটি সূত্র। প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ডিভাইসের মতো নতুন জেনারেশনের ডিভাইসটিও গ্রাহকদের জন্য বেশ ব্যয়বহুল হবে বলে জানা যায়। খবর টেক রাডার।

কয়েক বছর ধরেই নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নে গোপনভাবে কাজ করে যাচ্ছে অ্যাপল। অ্যাপলের একটি সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিপুল বিনিয়োগ করে যাচ্ছে অ্যাপল। সম্পূর্ণ নতুন ধরনের কোনো প্রযুক্তি পণ্য বাজারে নিয়ে আসতে অ্যাপলের একটি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করে যাচ্ছে, যা খুব সহজেই সংবাদমাধ্যম ও গ্রাহকদের নজর আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে। তবে এ নতুন পণ্য ঠিক কী, এ ব্যাপারে কোনো স্পষ্ট বার্তা দেয়নি সূত্র।

সূত্র জানায়, অপ্রত্যাশিত উৎপাদন প্রতিবন্ধকতার কারণে বাজারে আসতে যাওয়া এ নতুন প্রযুক্তি পণ্যটির সরবরাহ তারিখ নিয়ে কোনো প্রকার অভ্যন্তরীণ ঘোষণাও দেয়নি। ফলে অ্যাপলের গ্রাহকদের নতুন একটি প্রযুক্তি পণ্য পেতে আরো বেশ খানিকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন প্রযুক্তি পণ্য নিয়ে আসতে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ কয়েক মাস সময় পিছিয়েছে। ২০১৫ সালে অ্যাপল ওয়াচের পর এই প্রথম প্রযুক্তি কোম্পানিটির কোনো পণ্য বাজারে উন্মুক্ত করতে বিলম্ব করা হচ্ছে। অ্যাপলের এ প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এমনটা জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, পরবর্তী প্রজন্মের নতুন এ প্রযুক্তি পণ্য বাজারে উন্মুক্ত করার ঘোষণা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছর পর্যন্ত পেছাতে পারে। আশা করা যায়, আগামী বছর অ্যাপলের পণ্যটি প্রযুক্তি বাজারে তাক লাগিয়ে দেবে।

অ্যাপল সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটার কারণে চীন থেকে অজ্ঞাত সরবরাহকারী কর্তৃক যন্ত্রাংশ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে নতুন এ প্রযুক্তি বাজারে আনার ব্যাপারে বেশ প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হচ্ছে অ্যাপলকে। সূত্র আরো জানায়, এমন পরিস্থিতি নতুন আসতে যাওয়া প্রযুক্তি পণ্যটির ব্যয় অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে ভূমিকা রাখবে। তবে এ কারণে পণ্যটির বিক্রিতে তেমন প্রভাব পড়বে না বলেও জানায় সূত্রটি।

সূত্র জানায়, অ্যাপল এখনো বিশ্বাস করে তাদের নতুন আসতে যাওয়া পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট ভোক্তাদের কাছে। প্রথম বছরেই নতুন এ পণ্য দেড় থেকে দুই কোটি ইউনিট বিক্রির প্রত্যাশা রয়েছে।