বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর ৩ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব করেছিল কানাডা। এ কর স্পষ্টত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোকে লক্ষ্য করে। বিষয়টি আমলে নিয়ে সম্প্রতি কানাডার এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর ইউএস টুডে।

গত বছর অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি)-ভুক্ত দেশগুলোর ঘোষিত বৈশ্বিক কর চুক্তির বিষয়ে কানাডাকে কাজ করার আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র। কানাডাকে ওইসিডির সঙ্গে আলোচনা করে গঠনমূলক কাজের প্রচেষ্টা বাড়াতে মনোযোগ দিতে বলে প্রতিবেশী দেশটি। তা সত্ত্বেও কানাডা কর আরোপের সিদ্ধান্তে অটল থাকলে বাণিজ্যিক চুক্তি ও দেশীয় অবস্থার ভিত্তিতে সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করবে ইউএসটিআর।

মার্কিন টেকজায়ান্ট অ্যামাজন, অ্যাপল, গুগলসহ ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী বিভিন্ন সংস্থার ওপর বৈষম্যমূলক ফি আরোপ করার কড়া বিরোধিতা করেছে ওয়াশিংটন।

ইউএসটিআরের উত্তরে কানাডিয়ান অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেছেন, বরাবরই বহুপক্ষীয় চুক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে কানাডা।

এক ই-মেইল বার্তায় ক্রিস্টিয়া জানান, বহুপক্ষীয় চুক্তির বিষয়ে কানাডার জাতীয় স্বার্থ নিহিত। এতে অতিরিক্ত আয় করবে দেশটি।

বিদায়ী বছর অক্টোবরে ওইসিডির পৃষ্ঠপোষকতায় প্রায় ১৪০টি দেশ সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ কর চুক্তিতে পৌঁছে। ফলে বেশ কয়েকটি দেশের ওপর শাস্তিমূলক ট্যারিফ তুলে দিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র।

কানাডার ৩ শতাংশ করের প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ডিজিটাল পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর ৮৫ কোটি ডলার লোকসান হবে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে এ বিধান কার্যকর করা হবে।