ইউক্রেন যুদ্ধ, চিপস্বল্পতা ও বিশ্ব অর্থনীতিতে শ্লথগতির কারণে চলতি বছরে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বিক্রি ৩ শতাংশ কমবে। সম্প্রতি এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে প্রযুক্তি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ।
২০২২ সালে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বিক্রির সম্ভাবনা ১৩৬ কোটি ইউনিট। গত বছরের তুলনায় যা ৩ শতাংশ কম। চীনে কয়েক মাসের লকডাউন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় বিশ্ব অর্থনীতিতে যে শ্লথগতি দেখা দিয়েছে, তার প্রভাবে স্মার্টফোন বিক্রি কমবে বলে মনে করে কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ। এছাড়া বৈশ্বিক চিপস্বল্পতার কারণে স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলো কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে চিপসেট সংগ্রহ করতে পারছে না। এজন্য তারা উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে।
কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট পিট রিচার্ডসন বলেন, ফিচার ফোন থেকে স্মার্টফোনে গ্রাহকদের মাইগ্রেশন অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে থ্রিজি/ফোরজি থেকে ফাইভজিতে রূপান্তরের প্রাথমিক স্তরে রয়েছে স্মার্টফোন খাত। বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে চালকের আসনে থাকবে সাশ্রয়ী থেকে মাঝারি দামের ফাইভজি হ্যান্ডসেট।
২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে স্মার্টফোন বাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করেন লিজ লির মতো কিছু বিশ্লেষক। তিনি বলেন, মে মাসের শেষের দিকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে বড় আকারের প্রণোদনা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন সরকার। দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনীতি চাঙ্গায় আগ্রাসী নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃত্বাধীন সরকার।










