চীনের লকডাউনের প্রভাবে ব্যাহত হচ্ছে অ্যাপলের আইফোন উন্নয়ন কার্যক্রম। ফলে এ বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারে নতুন আইফোন আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইফোনের উন্নয়ন কার্যক্রম বাড়াতে বলেছে অ্যাপল। সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় নিক্কেই এশিয়া।
তথ্য বলছে, চলতি বছর চীনে আবারো করোনা মহামারীর সংক্রমণপ্রবাহ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। দেশটি মহামারী মোকাবেলায় জিরো কভিড নীতি গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে দেশটিতে কঠোর লকডাউন জারি করা হয়। এর প্রভাবে বছরের শুরুর দিকে চীনের সাংহাই ও কুনসান প্লান্টে আইফোন অ্যাসেম্বলার পেগাট্রন করপোরেশনের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে পড়েছে।
শহরজুড়ে লকডাউনের কারণে চীনের অর্থনীতির কেন্দ্রস্থল সাংহাই প্রায় পঙ্গু হয়ে পড়েছে। শহরটিতে প্রায় সাতদিন ধরে লকডাউন চলছে। তার ওপর বেইজিং কোয়ারেন্টাইনসহ অন্যান্য বিধিনিষেধও বাড়াচ্ছে।
কভিড ১৯ লকডাউনের কারণে এরই মধ্যে চীনের বাজারে উৎপাদন ও চাহিদা নেতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। এ কারণে গত মাসে বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল অ্যাপল। এর বাইরে ইউক্রেন যুদ্ধও আইফোন উৎপাদকদের জন্য উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ফোনগুলোর উৎপাদন সময়সীমা ও পরিমাণ—দুটোই লকডাউনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছে অ্যাপল। এতে প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছর চারটি নতুন মডেলের আইফোন বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে অ্যাপল। এগুলো হলো আইফোন ১৪, ১৪ ম্যাক্স ও ১৪ প্রো ম্যাক্স। এর মধ্যে ১৪ ও প্রো মডেলে থাকবে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চির ডিসপ্লে। অন্যদিকে ম্যাক্স ও প্রো ম্যাক্সে থাকছে ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে।










