বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়েছেন টুইটার ব্যবহারকারীরা। ইলোন মাস্কের টুইটার অধিগ্রহণের পর এটা সবচেয়ে বড় ধরণের বিভ্রাট বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। কয়েক ঘণ্টার বিভ্রাট শেষে প্লাটফর্মটি স্বাভাবিক সেবায় ফিরেছে বলে জানা গেছে। 


বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বুধবার অনেকেই জনপ্রিয় সোশ্যাল প্লাটফর্মটিতে প্রবেশ করতে পারছিল না বা বিভিন্ন ফিচার ব্যবহারে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিল।

ডাউনডিটেক্টরের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজার, জাপানে ২ হাজার ৫০০ এবং যুক্তরাজ্যে ২ হাজার ৫০০ জন বিভ্রাটে পড়ার কথা জানিয়েছেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারে টুইটার ব্যবহারকারীরা মূলত সমস্যায় পড়েছে বলে জানিয়েছে ডাউনডিটেক্টর।

গত শনিবার ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোতে টুইটারের একটি ডাটা সেন্টার বন্ধের কথা জানান ইলোন মাস্ক। তার কয়েকদিন বাদেই এ বিভ্রাটে পড়ল মাইক্রোব্লগিং সাইটটি। তবে মোবাইল ফোনেও সমস্যার কথা জানিয়েছে কিছু ব্যবহারকারী।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার সন্ধ্যার দিকে বিভ্রাটে পড়ে টুইটার। ইস্টার্ন স্ট্যান্ডার্ড টাইম সন্ধ্যা ৭ টায় এ সমস্যা শুরু হয়। এ ব্যাপারে টুইটারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন মন্তব্য করেনি। ঘন্টা তিনেক আগে এক টুইটে ব্যাকএন্ড সার্ভার চালুর ঘোষণা দিলেও গতকালের বিভ্রাট সম্পর্কে তেমন কিছুই বলেননি মাস্ক। বরং তিনি ঘোষণা দেন, সামনের দিনগুলোয় টুইটার আরো দ্রুততর হতে যাচ্ছে।

বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। কিছু কিছু ব্যবহারকারী জানান, টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট হয়ে গেছেন, আবার কেউ বলছেন, তাদের টুইটের রিপ্লাই দেখতে পাচ্ছেন না তবে অন্য পরিষেবাগুলো উপভোগ করছেন।  

টুইটারের ব্যয় সাশ্রয় করতে কর্মী ছাটাইসহ বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেন মাস্ক। গত শনিবার একটি সার্ভার বন্ধের প্রক্রিয়া তারই অংশ ছিল।