সম্প্রতি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওকটার কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশের দাবি করেছিল হ্যাকারদের দল ল্যাপসাস। হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ওকটার সেবাগ্রহীতা কয়েকশ প্রতিষ্ঠান ভুক্তভোগী হয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে। খবর বিবিসি।
ওকটা বলছে, তাদের ৩৬৬ সেবাগ্রহীতার ওপর হ্যাকিংয়ের প্রভাব পড়েছে, হয়তো তাদের ডাটা অন্য কেউ দেখেছে এবং তার ভিত্তিতে কিছু করেছে। এ খবর প্রকাশের পর বাজারে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম কমেছে ৯ শতাংশ।
নিজস্ব সেবাগ্রহীতার সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি বলে জানিয়েছে ওকটা। ফেডেক্সের মতো বড় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতের ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান ওকটার সেবাগ্রহীতাদের তালিকায় আছে।
ওকটা একটি ‘আইডেন্টিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’। ক্লাউড সেবা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের পরিচয় এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের ডাটায় প্রবেশাধিকারসংক্রান্ত তথ্য নিজের জিম্মায় রাখে ওকটা। কোনো কর্মী তার প্রতিষ্ঠানের ক্লাউড ডাটাবেজে প্রবেশের চেষ্টা করলে তার প্রবেশাধিকার আছে কিনা, সে বিষয়টি যাচাই করে প্রতিষ্ঠানটি।
ওকটা হ্যাকিংয়ের ‘কৃতিত্ব’ দাবি করেছে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত হ্যাকার দল ল্যাপসাস। প্রথম সারির বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাকিংয়ের দাবি করেছে ল্যাপসাস। ভুক্তভোগীদের তালিকায় আছে এনভিডিয়া, স্যামসাং, মাইক্রোসফট ও ইউবিসফট।
জানুয়ারিতে এক সাইবার আক্রমণের কথা বলেছিল ওকটা। ওই ঘটনায় একটি তৃতীয় পক্ষীয় প্রতিষ্ঠান ভুক্তভোগী ছিল এবং বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।









