ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় বাস্তবধর্মী
ছয়টি সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত সিটিও ফোরামের ‘সিটিও
ফোরাম ইনোভেশন হ্যাকাথন ২০২১’-এর সমাপনী পুরস্কার
বিতরণ ও গালা নাইট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানটিতে সিটিও সভাপতি তপন
কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সরকারের এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের
সিনিয়র সচিব জিয়াউল আলম পিএএ এবং হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইসিটি
বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ।
চলতি বছরের ১ আগস্ট অনলাইন প্লাটফর্মে
নিবন্ধন শুরু হয়ে আইডিয়া রাউন্ড, প্রোটোটাইপ রাউন্ড, অনলাইন
ডেমন্সট্রেশন ও সর্বশেষ ১৭ ডিসেম্বর সরাসরি উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতাটি শেষ হয়।
‘ক্ষুধামুক্ত
বিশ্ব, সুস্বাস্থ্য, গুণগত শিক্ষা, ই-কমার্স, এমার্জিং
টেকনোলজি, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স, অনলাইন
সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন’—এমন ছয়টি চ্যালেঞ্জ ও তিনটি সাব
চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু হওয়া জাতীয় পর্যায়ের ভার্চুয়াল ইনোভেশন হ্যাকাথন নিবন্ধন করে প্রায়
২০০টি টিম। এর মধ্য থেকে ৫০ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রফেসর নিয়ে জুরি বোর্ড ও
২০ জন ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট বোর্ডের সদস্যের বিভিন্নভাবে বাছাই করা ১০০টি টিম নিয়ে
শুরু হয় এ হ্যাকাথন। সিটিও ফোরামের সঙ্গে এ আয়োজনে যুক্ত ছিল বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি
বিভাগের দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটি ও এস্প্যায়ার টু ইনোভেট বা এটুআই।
হ্যাকাথনে প্রথম স্থান অর্জন করেছে
রাজধানীভিত্তিক ঢাকা এক্সিকিউটরস জিরো জিরো। প্রথম পুরস্কার হিসেবে তারা ১ লাখ টাকার
আর্থিক পুরস্কার পায়। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে নাউটস। তারা পায় ৭৫ হাজার টাকার আর্থিক
পুরস্কার। যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করে অল্টারনেট শিফট অটোমেশান অব ম্যানুয়াল প্রসেস
ও টিম ডিসেন্ট্রালাইজড গুড হেলথ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজিআরডি
প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ
যে এখন আর কল্পনা নয়, বরং বাস্তব, সেটা
এ হ্যাকাথনে এসে প্রমাণ মেলে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় চলে এসেছে
এবং এর সুফল পাচ্ছে প্রতিটি মানুষ।










