চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারের রাজস্ব ৩ শতাংশ কমে ১০ হাজার কোটি ডলারে নেমে এসেছে। সম্প্রতি এক গবেষণা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর ইটি টেলিকম।

আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অ্যাপল ১০ শতাংশ বেশি মুনাফা অর্জন করেছে। এ কারণে রাজস্ব কমার হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্যানুযায়ী, ফাইভজির রাজস্ব সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়া ফাইভজি হ্যান্ডেসেটের রেকর্ডসংখ্যক বিক্রি গড় বিক্রয়মূল্যে ও রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে ৪৬ শতাংশ ফাইভজি স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে। স্মার্টফোনের সার্বিক বাজারজাত ১২ শতাংশ কমেছে।

সিনিয়র অ্যানালিস্ট হারমিত সিং ওয়ালিয়া বলেন, বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন বিক্রির মাধ্যমে যে মুনাফা অর্জিত হয়েছে তার ৮০ শতাংশই ফাইভজি থেকে এসেছে। যা আগের বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেশি। একই সময়ে এলটিই হ্যান্ডসেট বিক্রির মাধ্যমে রাজস্ব আয় ১০ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।

ওয়ালিয়া বলেন, ফোরজি থেকে ফাইভজিতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অ্যাপল শীর্ষে ছিল। কুপারটিনোভিত্তিক প্রযুক্তি জায়ান্টটির ৯৫ শতাংশ ফোন ফাইভজি নেটওয়ার্কযুক্ত হওয়ায় অর্ধেকেরও বেশি অবদান রেখেছে অ্যাপল।

রাজস্বের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহৎ হ্যান্ডসেট ওইএম হচ্ছে স্যামসাং। ২০২২ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে স্যামসাংয়ের ডিভাইসগুলোর গড় বিক্রয়মূল্য আগের বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে এ সময় প্রতিষ্ঠানটি তাদের ফ্লিপ ও ফোল্ড সিরিজের ডিভাইস বাজারজাত দ্বিগুণ বাড়িয়েছে।

অন্যদিকে চীনের বাজারে অপো ও ভিভো ভালো অবস্থানে রয়েছে। কভিড-১৯-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ও অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে এ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠান দুটো বড় অংঙ্কের রাজস্ব হারিয়েছে।