দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোন নিত্যসঙ্গী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচরণ করা ছাড়াও ফোনকল, গেম খেলা, ভিডিও দেখাসহ বিভিন্ন কাজে স্মার্টফোনের বহুল ব্যবহার হচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় সেলফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা চোখের জন্য ক্ষতিকর। এদিক থেকে ব্যবহারকারীর চোখের সুরক্ষায় বেশকিছু নিয়ম বা পদ্ধতির কথা জানিয়েছে ক্রাফ আই ইনস্টিটিউট।
নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকে যে রশ্মি নির্গত হয় তা থেকে চোখ সুরক্ষিত রাখা যাবে।
স্ক্রিন ব্রাইটনেস ঠিক করে নেয়া
স্মার্টফোনের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস চোখের প্রধান শত্রু। কম আলোয় বা খুব বেশি আলোয় সেলফোন ব্যবহার না করাই ভালো। আর তাই সেলফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমেই সেটিংস থেকে ব্রাইটনেস ঠিক করে নিতে হবে। অনেকের কাছে বারবার এটি নিয়ন্ত্রণ করা বিরক্তিকর মনে হতে পারে। সেজন্য সেলফোন কোম্পানিগুলো অ্যাডাপ্টিভ ব্রাইটনেস নামে অপশনও যুক্ত করে দিয়েছে। অপশনটি আশপাশের আলোর পরিমাণ বুঝে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রণ করবে।
ডার্ক মোডের ব্যবহার
সেলফোনের ডিসপ্লেতে থাকা উজ্জ্বল আলো চোখের সমস্যার আরেকটি কারণ। অন্ধকারে এ সমস্যা বেশি হয়। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে বিশেষজ্ঞরা ডার্ক মোড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এজন্য সেটিংস থেকে ডিসপ্লেতে প্রবেশ করে ডার্ক মোড চালু করে দিতে হবে। এতে করে চোখে কম চাপ পড়বে।
সেলফোনের হোম স্ক্রিন পরিষ্কার রাখা
হোম স্ক্রিনে একাধিক অ্যাপ রাখাও চোখের জন্য ক্ষতিকর। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অ্যাপ সেখানে না রাখাই ভালো। দরকারি অ্যাপগুলোও সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যও কিছুটা জড়িত। হোম স্ক্রিনের পাশাপাশি ডিসপ্লের বাইরের অংশ পরিষ্কার রাখাও জরুরি। ডিসপ্লে পরিষ্কার থাকলে চোখের ওপর কম চাপ পড়বে। এক্ষেত্রে নরম কাপড় ও ডিসপ্লে পরিষ্কারের তরল পদার্থ ব্যবহার করা যায়।
ফোনের টেক্সট আকার বাড়ানো
সেলফোনের স্ক্রিন অনুপাতের সঙ্গে লেখা মেলানোর জন্য টেক্সট সাইজ ছোট দেয়া থাকে। অনেকের কাছে ছোট ফন্ট স্বাভাবিক। আবার কারো জন্য হিতে বিপরীত। ছোট অক্ষরের লেখা পড়তে গেলে তা চোখের ওপর চাপ তৈরি করে। তাই আকারে সামান্য বড় টেক্সট ব্যবহার করা সুবিধাজনক। ফোনের সেটিংসে গিয়ে ডিসপ্লে অপশনে গিয়ে টেক্সট সাইজ সুবিধা মতো বাড়িয়ে নেয়া যায়। ফলে মেসেজ পড়তে বা মোবাইলের অন্য কাজেও সুবিধা পাওয়া যাবে।










