চলতি প্রান্তিকে ভিডিও গেম চিপ বিক্রি কমার পূর্বাভাস দিয়েছে ডিজাইনার প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। অন্যদিকে কভিড-১৯ মহামারীর সংক্রমণে নতুন করে আরোপিত লকডাউন সরবরাহ চেইনে সমস্যা তৈরির মাধ্যমে নতুন চিন্তা তৈরি করেছে। খবর রয়টার্স।

রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনশেন হুয়াং বলেন, চলতি প্রান্তিকের মাঝামাঝি সময়ে আগের প্রান্তিকের তুলনায় গেমিং ব্যবসা খাতে এনভিডিয়ার আয় কমবে। বিশ্বের গেমিং বাজার শ্লথগতিতে রয়েছে। বাজারে চাহিদা আগের তুলনায় কমে আসায় এনভিডিয়া চীনের মার্কেটে যেসব পণ্য বিক্রি করত সেগুলোর পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের কারণে ইউরোপের বাজারেও ধাক্কা খেয়েছে এনভিডিয়া।

প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ও আয় গবেষকদের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেলেও এনভিডিয়ার বাজার হিস্যা ৬ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ে যে উদ্বেগ সেটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রেফিনিটিভের আইবিইএসের উপাত্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে এনভিডিয়া ৮১০ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। যেখানে গবেষকরা ৮৪৫ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

কম আয়ের পূর্বাভাসের সঙ্গে রাশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ও চীনে কভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ও লকডাউনের কারণে ৫০ কোটি ডলার কম হিসাব করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা কোলেট ক্রেস জানান, চীন ও রাশিয়ায় গেমিং-সংক্রান্ত বিক্রিতে ৪০ কোটি এবং রাশিয়ায় ডাটা সেন্টারে আরো ১০ কোটি ডলার বিক্রি কমেছে।

আয়-সংক্রান্ত আলোচনায় ক্রেস গবেষকদের জানান, চীনের করোনাভাইরাসের কারণে আরোপিত লকডাউন পরিচালন কার্যক্রমের পাশাপাশি ভোক্তা ব্যয়েও প্রভাব বিস্তার করছে। সিনোভাস ট্রাস্টের সিনিয়র পোর্টফোলিও ম্যানেজার ড্যান মরগান বলেন, কঠোর সংকটের মধ্যেও ভালো অবস্থানে থাকা একটি প্রতিষ্ঠান এখন হিমশিম খাচ্ছে। এটি সত্যিই অবাক করার মতো।