আইফোনের নতুন ফিচার অলয়েজ অন ব্লুটুথ ফিচার ব্যবহারে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। সম্প্রতি এক অধ্যয়নের মাধ্যমে গবেষকরা দেখতে পান হ্যাকাররা আইফোনের ভিন্নধর্মী এ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ডিভাইস ট্র্যাক বা অনুসরণ করতে পারবে। খবর টেকটাইমস।
অ্যাপলের ডিভাইসে সেফটি চেক ফিচার থাকলেও ব্যবহারকারীদের বিপরীতে এটি ব্যবহার করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সেই সঙ্গে এ হামলা পরিচালনার জন্য সবসময় জিপিএসের প্রয়োজন হয় না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল আইফোনের ব্লুটুথ ফিচার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। মূলত ফিচারটিতে কোনো নিরাপত্তা ত্রুটি আছে কিনা এবং সেগুলো ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায় কিনা সেটি যাচাই করেছে।
গবেষণায় দলটি দেখতে পায়, সবসময় আইফোনের ব্লুটুথ চালু রাখলে সেটির মাধ্যমে হ্যাকাররা ডিভাইসটি অনুসরণ বা ট্র্যাক করতে সক্ষম হবে। ডিভাইস হ্যাক করার জন্য হ্যাকারদের লোকেশন বা অবস্থানসংক্রান্ত তথ্যের প্রয়োজন হবে না। কেননা ব্লুটুথের তরঙ্গ ব্যবহারের মাধ্যমে হ্যাক করা সম্ভব। এর মাধ্যমে অ্যাপলের সেফটি চেক ফিচার এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে ব্লুটুথের মাধ্যমে শুধু ব্যক্তিকে অনুসরণ করা যাবে।
হ্যাকারদের অনুসরণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার বিষয়ে কী করণীয় তাও জানিয়েছে গবেষকরা। গিজমোডোর তথ্যানুযায়ী, ব্লুটুথের মিনিট ইমপারফেকশনের মাধ্যমে হ্যাকাররা ইউনিক সিগন্যাল ব্যবহার করে নির্ধারিত ডিভাইস ট্র্যাক করতে পারবে। এজন্য তাদের রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করতে হবে।
ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে আইফোন ট্র্যাকিংয়ের সক্ষমতা খুবই কম। তবে গবেষকরা জানান, যখন কোনো ডিভাইস সমস্যা তৈরি করে, তখন সেটি দেখার জন্য রেডিও রিসিভার ব্যবহার করতে হয়। সাইবার অপরাধীদের হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে যখন প্রয়োজন থাকবে না তখন ব্লুটুথ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন গবেষকরা।
ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থার পাশাপাশি একাধিক নিরাপত্তা লেভেল থাকায় এক সময় অ্যাপলের আইফোনে অনুপ্রবেশ অনেক কঠিন ছিল। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে হামলাকারীরা ম্যালওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে আরো চতুর হয়েছে। বর্তমানে অ্যাপলের ডিভাইস অনুসরণের পাশাপাশি এতে থাকা ফাইল হাতিয়ে নেয়ার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। এতে বর্তমানে বিদ্যমান নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন আপডেট চালু করছে।
বর্তমানে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য বড় হুমকি অখ্যাত ম্যালওয়্যার এক্সকোডঘোস্ট। এটি সহজেই ডিভাইসে প্রবেশ করতে পারে। এটি অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরের একটি নিরাপত্তাজনিত দুর্বলতা। ফোর্টনাইট নিয়ে আইনি লড়াইয়ের সময় এপিক গেমস বিষয়টি উপস্থাপন করেছিল।










