স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি প্রমাণে যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণাভিত্তিক এপিআই চালু করেছে টিকটক। ফলে এখন থেকে বেশি মানুষ প্লাটফর্মের তথ্যে প্রবেশ করতে পারবে বলে জানিয়েছে মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাইটডান্স। খবর দ্য ভার্জ ও এনগ্যাজেট।

শর্ট ভিডিও শেয়ারিংয়ের প্লাটফর্মটি গত বছর থেকে কনটেন্ট ও সেফটি অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সদস্যদের সহায়তায় এপিআইয়ের পরীক্ষা চালিয়ে আসছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থার গবেষকদের জন্য এটি উন্মুক্ত করে দিয়েছে প্লাটফর্মটি। টিকটক এমন সময়ে প্লাটফর্মের বাইরের ব্যক্তিদের তথ্য দেখার প্রবেশাধিকার দিচ্ছে, যখন এটি প্রমাণের চেষ্টা করছে যে তারা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়।

এনগ্যাজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ তথ্যে প্রবেশাধিকার পেতে আগ্রহী বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষকদের জমা দেয়া বিভিন্ন প্রস্তাবনায় টিকটকের নতুন অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউএস ডেটা সিকিউরিটির (ইউএসডিএস) অনুমোদন লাগবে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জাতীয় নিরাপত্তা আইন মেনে চলার জন্যই এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর অনুমোদন পাওয়া ব্যক্তিরা পাবলিক অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি অ্যাপে পোস্ট করা বিভিন্ন কনটেন্টের তথ্যেও প্রবেশ করতে পারবে। উদাহরণ হিসেবে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, কমেন্ট, লাইক ও ফেভোরিটস অপশনের বিস্তারিত তথ্যের বিষয় রয়েছে।

এনগ্যাজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তরুণ প্রজন্মের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার ও সামগ্রিকভাবে তথ্যের বিকল্প উৎস সম্পর্কে গবেষকদের জানার সুযোগ দিতে পারে টিকটকের নতুন এপিআই। অন্যান্য প্লাটফর্ম একই ধরনের সুবিধা দিলেও অন্তত টুইটারের বেলায় শিগগিরই ব্যবহারকারীদের এটি ব্যবহারে নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে।

কোম্পানিটি মার্কিন সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে বছরের পর বছর সময় নিলেও সম্প্রতি বেশকিছু অঙ্গরাজ্য সরকারি মালিকানাধীন ডিভাইসে অ্যাপটি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। পাশাপাশি গোটা যুক্তরাষ্ট্রে নিষেধাজ্ঞার দাবিও উঠেছে। অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধও করা হয়েছে।