বেশ কয়েকটি প্রধান বিমানবন্দরের কাছে ফাইভজি ওয়্যারলেস সেবা পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে মার্কিন উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো। পাইলটরা যে বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিকস পণ্যের ওপর নির্ভর করে, সেগুলোর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে পারে এ দাবিতে তারা ফাইভজি পেছানোর দাবি করে। খবর এপি।
যুক্তরাষ্ট্রের যাত্রীবাহী ও কার্গো পরিবহনকারী উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর জোট এয়ারলাইনস ফর আমেরিকা (এফোরএ) জানায়, ফাইভজি সেবা এভিয়েশন শিল্পে কী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে তা ঠিকমতো পর্যালোচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি)। সি-ব্যান্ডের ফাইভজি সেবা এভিয়েশন শিল্পে কেমন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে তা বিশ্লেষণে এফসিসিকে আরো সময় নিতে হবে।
মার্কিন টেলিকম জায়ান্ট এটিঅ্যান্ডটি ও ভেরাইজন কমিউনিকেশনস ফাইভজি চালু এক মাস পিছিয়ে দেয়। প্রধান বিমানবন্দরগুলোর কাছে যদি ফাইভজি চালু করা হয়, তাহলে ভয়ানক ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন এয়ারলাইনস শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনটি।
এগারো উড়োজাহাজ সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন এফোরএ জানায়, ফ্লাইট বাতিল কিংবা হাজারো ফ্লাইটের রুট পরিবর্তনের ফলে শতকোটি ডলার লোকসান গুনতে পারে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলো।
সংগঠনটি জানায়, ফাইভজি সেবা চালু হলে লাগার্ডিয়া, কেনেডি ও নিউয়ার্ক-নিউইয়র্ক শহরের তিনটি প্রধান বিমানবন্দরের কার্যক্রমই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া শিকাগোর ও’হেয়ার, বোস্টনের লোগান, লস অ্যাঞ্জেলেসের ডালাস ফোর্ট ওয়ার্থ ও সানফ্রান্সিসকো বিমানবন্দর ফাইভজি সেবা চালুতে ঝুঁকিতে পড়বে।
ফাইভজি পিছিয়ে দিতে এফএএ যদি কোনো যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আগামী সপ্তাহে আদালতে মামলা দায়েরের হুমকি দিয়েছে এফোরএ।










