আফ্রিকাজুড়ে ক্লাউড পরিষেবা প্রদানে প্রথমবারের মতো ডাটা সেন্টার চালু করেছে ওরাকল। দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাটা সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে তৃতীয় ক্লাউড পরিষেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের সঙ্গে যুক্ত হলো ওরাকল। খবর রয়টার্স।
নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানটির ৩৭তম ক্লাউড অঞ্চলে পরিণত হলো দক্ষিণ আফ্রিকা। এটি এখন এমন একটি এলাকা, যেখানকার অধিবাসীরা জোহানেসবার্গে থাকা স্থানীয় ডাটা সেন্টারে প্রবেশের সুযোগ পাবে। চলতি বছরে ৪৪টি ক্লাউড অঞ্চল চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ওরাকল। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগলসহ অন্যান্য প্রতিযোগীর সমতুল্য হতেই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
চলতি বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় আর কোনো ডাটা সেন্টার স্থাপন করবে না ওরাকল। তবে সামনের বছরগুলোয় আরো কিছু সেন্টার স্থাপন করা হতে পারে। এর অংশ হিসেবে উত্তর আফ্রিকা, চেরিয়ান ভার্গিসসহ বেশকিছু অঞ্চল পরিদর্শন করছে প্রতিষ্ঠানটি। রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে প্রতিষ্ঠানটির মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক এ কথা জানান।
আফ্রিকার ব্যাংক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন থেকে দ্রুতগতির কম্পিউটিং পরিষেবার চাহিদা জানিয়ে আসছিল। চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাইক্রোসফট এ অঞ্চলে ডাটা সেন্টার স্থাপন করে। পরবর্তী সময়ে অ্যামাজন ও হুয়াওয়েও এ তালিকায় যুক্ত হয়। সাবমেরিন কমিউনিকেশনস কেবলের মাধ্যমে প্রথম সংযোগ এবং আফ্রিকার দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্লাউড পরিষেবা জায়ান্টদের আকর্ষণ করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে কেপটাউন ও জোহানেসবার্গের কাছাকাছি ৫০টির বেশি ডাটা সেন্টার স্থাপিত হয়।










