রক্ত লাল এশিয়ায়
লক্ষ প্রাণ মুক্তি চায়
শান্তি দূত শ্বেত কপোত
বন্দি আজ কোন খাঁচায়?
যুদ্ধ নয় যুদ্ধ নয়
ধ্বংস আমরা চাই না
চাই খাবার ক্ষেত খামার
জনতার মুক্তি চাই।
[ আল মাহমুদের শৈশবের একটি অপ্রকাশিত কবিতা প্রসঙ্গে মহিবুর রহিম
কবি আল মাহমুদের (১৯৩৬-২০১৯) শৈশবের একটি কবিতা পাওয়া যায় তার সে সময়ের সঙ্গী ভাষাসৈনিক মুহম্মদ মুসার কাছে। পুরনো একটি ডায়েরি থেকে তিনি লেখাটি লিখে দেন।
মুহম্মদ মুসা জানালেন, ১৯৫০ সালের দিকে কোরিয়ার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আল মাহমুদ এ কবিতা লিখেছিলেন। এ সময় তরুণ আল মাহমুদ প্রচুর কবিতা লিখতেন, যা তার স্কুলের খাতায় পাওয়া যেত। সে সময় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা পড়তেন। সুকান্তের ছাড়পত্র বইটি সবসময় সঙ্গে রাখতেন। এসব বই স্থানীয় লাল মোহন পাঠাগার থেকে সংগ্রহ করেছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লাল মোহন পাঠাগার একসময় অনেক সমৃদ্ধ ছিল। পঞ্চাশের দশকে পাঠাগারটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হতে থাকে। পাঠকের সংখ্যা অনেক কমে যায়। সে সময়ে আল মাহমুদ পাঠাগারটি সচল রাখতে চেষ্টা করেন। এ পাঠাগারের বিপুল বইয়ের সান্নিধ্যে আসেন, যা তার মানস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
আল মাহমুদ উদ্ধৃত কবিতাটিতে দেখা যায়, কবি যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার দাবি করছেন, যা আল মাহমুদের পরবর্তী অনেক কবিতায় দেখা যায়। ]






