ইতিবৃত্ত

‘জয়শ্রী’ পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগের নেপথ্যে কার্যত লীলা নাগের ব্যক্তিত্বের অন্তর্গত সর্বাধিক ক্রিয়াশীল দুই সত্তা সমানভাবে কাজ করেছিল—শিক্ষাব্রতী ও বিপ্লবী। তখনো অব্দি শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা পূর্ববঙ্গের নারীদের আলোকায়নের সহযোগী ও ব্রিটিশবিরোধী বাঙালিদের বৈপ্লবিক তত্পরতার সঙ্গী—সাময়িকপত্র হিসেবে ‘জয়শ্রী’ যুগপৎ যেন এই দুটি ভূমিকাই পালন করতে সক্ষম হয়েছিল। বস্তুত, সাংবাদিকতা-সাহিত্যচর্চা ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ড লীলা নাগের কাছে ছিল একই বৃক্ষের দুই শাখার মতো। একটির জন্যই অন্যটির প্রয়োজন পড়ে।

পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ যখন নেয়া হলো, তখন প্রশ্ন উঠল, খরচ চালানোর দায়ভার কে নেবেন? পরে লীলা নাগের বাবা গিরীশচন্দ্র নাগ ও অগ্রজ সুধীরকুমার নাগ পত্রিকার আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করায় মুশকিল আসান হলো। পত্রিকার নাম ঠিক করার জন্য লীলা নাগ স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে গিয়েছিলেন। তারই নির্ধারণ করা নাম ‘জয়শ্রী’। পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া আদতে হয়েছিল ১৯৩০ সালের মাঝামাঝিই। কিন্তু ঢাকায় দাঙ্গা লেগে যাওয়া ও আরো কিছু কারণে তা বিলম্বিত হয়। অবশেষে ১৯৩১ সালের মে মাসে, বৈশাখ ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে ঢাকা শহরের ৩ বকশীবাজার থেকে লীলা নাগের সম্পাদনায় প্রকাশ পেল ‘জয়শ্রী’র প্রথম সংখ্যা। প্রথম সংখ্যার দাম ছিল ছয় আনা। মুদ্রাকর ও প্রকাশক হিসেবে নাম ছাপা হয় সুধীরকুমার নাগের। সহসম্পাদক ছিলেন শকুন্তলা দেবী ও রেণুকা সেন। প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন নন্দলাল বসু। প্রথম সংখ্যার সম্পাদকীয়তে পত্রিকার উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে সম্পাদক লিখেছিলেন: ‘বাংলার মহিলাদের মুখপত্রস্বরূপ কোনো পত্রিকা এ পর্যন্ত ছিল না। এই অভাব দূর করিবার প্রয়াসে জয়শ্রী প্রকাশিত হইল।...’ পরে লীলা নাগ এ বিষয়ে লিখেছিলেন: ‘‘মেয়েদের মধ্যে দেশাত্মবোধ ও শঙ্কাহীন দেশ সেবার ভাব জাগ্রত করবার উদ্দেশ্য নিয়েই ‘জয়শ্রী’ আত্মপ্রকাশ করল।’’ প্রথম সংখ্যাতেই ‘জয়শ্রী’ যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছিল। অনেকে গ্রাহকও হন। এ প্রসঙ্গে প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়: ‘জয়শ্রীকে বাংলাদেশ সাদরেই গ্রহণ


করিয়াছে। মাত্র এক মাসের মধ্যে ইহার সভ্য সংখ্যার হার হইতেই তাহার প্রমাণ পাওয়া যায়।’

তবে ‘জয়শ্রী’র পথচলা মোটেই মসৃণ কখনই ছিল না। বিপ্লবী তত্পরতার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে তখনকার ইংরেজ সরকার বারবার নানাভাবে এর প্রকাশ বিঘ্নিত করেছে। বিশেষ করে এর অগ্নিগর্ভ তেজী সম্পাদকীয়গুলোর ব্যাপারে রাষ্ট্রযন্ত্রের আপত্তি ছিল অধিক। ১৯৩১ সালের ২৮ অক্টোবর ‘জয়শ্রী’ পত্রিকা অফিসে সরকারের পক্ষ থেকে পুলিশি অভিযান চালিয়ে দপ্তর তছনছ করে দেয়া হয়। লীলা নাগকে নানাভাবে তখন সতর্ক করে দেয়া হলেও তিনি দমে যাননি। এর দুই মাস পর ২০ ডিসেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। মূল উদ্যোক্তা ও সম্পাদক গ্রেফতার হওয়ার ফলে ‘জয়শ্রী’ দ্রুতই স্তব্ধ হয়ে যাবে, এমন ধারণা হয়তো তত্কালীন প্রশাসন করেছিল। কিন্তু তা হয়নি, পত্রিকার প্রচ্ছদে লীলা নাগকে ‘প্রতিষ্ঠাত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করে ফের ‘জয়শ্রী’ বেরোতে থাকে, সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্ব নেন বীণাপাণী রায়। ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় কারান্তরীণ লীলা নাগকে উৎসর্গ করে লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি আশীর্বচনও ছাপা হয় সেখানে: ‘বিজয়িনী নাই তব ভয়/দুঃখে ও বাধায় তব জয়।/অন্যায়ের অপমান/সম্মান করিবে দান/জয়শ্রীর এই পরিচয়।’ কোনোভাবেই দমানো যাচ্ছে না দেখে অবশেষে বছর কয় পরে এল চূড়ান্ত আঘাত। সরকারি ফরমান দিয়ে ‘জয়শ্রী’র প্রকাশ নিষিদ্ধ করা হলো।

‘জয়শ্রী’র পুনর্জন্ম ঘটল ফের ১৯৩৮-এ। ওই বছরের ৮ আগস্ট লীলা নাগ জেল থেকে মুক্তি পান। এবার ‘জয়শ্রী’র প্রকাশ শুরু হলো কলকাতা থেকে। ‘জয়শ্রী’র বিষয়বিন্যাসে তখন থেকেই একটি বিশেষ পরিবর্তন স্পষ্ট, আগের ঘোষণা অনুযায়ী ‘বাংলার মহিলাদের মুখপত্র’-এর পরিবর্তে পত্রিকাটি ওই মুহূর্তে স্বাধীনতাকামী বিপ্লবী চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাঙালির চিন্তা ও তত্পরতার ধারক-বাহকে পরিণত হয়েছিল। সম্পাদকীয়তেও তাই স্পষ্ট ঘোষণা: ‘বিশ্বমানবের অবিচ্ছিন্ন প্রগতিতে আমরা বিশ্বাসী।’ ‘জয়শ্রী’র পুনপ্রকাশ উপলক্ষে অনেকেই তখন বিশেষ বাণী পাঠিয়েছিলেন। জওহরলাল নেহেরু শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ‘জয়শ্রী’তে প্রকাশের উদ্দেশ্যে নিজের একটি নতুন প্রবন্ধ দিতে না পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে লিখেছিলেন: ‘জয়শ্রীর বিগত বৎসরের অবদানের কথা মনে করিয়া আমি উহার জন্য একটি প্রবন্ধ লিখিতে ইচ্ছা করিয়াছিলাম। বঙ্গীয় সংশোধিত ফৌজদারি আইনের কবলে পড়িয়া ইহার উদ্যোগীগণ যেরূপ দুঃখ বরণ করিয়াছেন, তাহা যে কোন পত্রিকার পক্ষে শ্লাঘনীয় হইত। মহিলা পরিচালিত পত্রিকার পক্ষে ইহা


বিশেষভাবেই গৌরবের কথা।...পত্রিকাখানি পুনরায় প্রকাশিত হইবে জানিয়া আমি অতীব প্রীত হইলাম ও ইহার প্রতি আমার শুভেচ্ছা প্রেরণ করিতেছি কিন্তু আমার অনবসর হেতু কোন প্রবন্ধ দেওয়া বোধ হয় আমার পক্ষে সম্ভব হইবে না।’ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর বাণীতে ছিল ‘জয়শ্রী’র মঙ্গলকামনার পাশাপাশি স্বদেশের আত্মসন্ধানের সাধনার কথাও: ‘জয়শ্রীর পুনরাবির্ভাব আমি পরম সমাদরে সম্বর্ধনা করিতেছি। গত কয়েক বৎসর সমস্ত দেশের উপর দিয়া যে ঝড় বহিয়া গিয়াছে, জয়শ্রীর প্রতিষ্ঠাত্রীমণ্ডও তাহা হইতে নিস্তার পান নাই।...জয়শ্রী দেশের এই পরমক্ষণে সেই আত্মপ্রতিষ্ঠার ও আত্মসন্ধানের সাধনাকে জয়যুক্ত ও শ্রীমণ্ডিত করুক ইহাই আমার নিবেদন।’ আরো শুভেচ্ছা-বাণী দিয়েছিলেন কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়, বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত ও হাজরা বেগম।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলে ‘জয়শ্রী’র ওপর পুনরায় আঘাত নেমে এসেছিল। ১৯৪২-এর শুরুর দিকে লীলা রায় ফের গ্রেফতার হলেন। আর জুনে ফের নিষিদ্ধ হলো ‘জয়শ্রী’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তিকালে, ১৯৪৬-এর জুনে লীলা রায় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এবার তিনি তৃতীয় পর্যায়ে পুনর্বার ‘জয়শ্রী’ প্রকাশের জন্য উদ্যোগ নিলেন। নানা কারণে কয়েক মাস সময় পার করে অবশেষে ১৯৪৭-এর মার্চে ‘জয়শ্রী’র তৃতীয় যাত্রা হলো। এ পর্যায়ের প্রথম সংখ্যায় ছাপানোর জন্য সরোজিনী নাইডু যে শংসাবচন পাঠিয়েছিলেন, তাতে ‘জয়শ্রী’ সম্পর্কে বলা কথাগুলো যেন পত্রিকাটির মূল ‘স্পিরিট’কেই সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল: ‘জয়শ্রী যেন ফিনিক্স পাখির মতো, বারবার মৃত্যুবরণ করেছে ও বারবার নিজের দেহভস্ম থেকে পুনরায় জেগে উঠেছে।’

১৯৭০-এ লীলা নাগের মৃত্যুর পর ‘জয়শ্রী’ বন্ধ হয়ে যায়নি। কলকাতা থেকে এখনো তা নিয়মিত প্রকাশ পাচ্ছে। লীলা রায়ের মৃত্যুর পর এর সম্পাদনার দায়িত্ব নেন বিপ্লবী সুনীল দাশ। ২০০২ সাল থেকে সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন বিজয়কুমার নাগ।

বিষয়-আশয়

কী ধরনের লেখাজোখা ছাপা হতো ‘জয়শ্রী’ পত্রিকায়? আগেই যেমনটা বলেছি, নারী প্রগতি ও নারী কণ্ঠের ধারক হয়ে ওঠার প্রত্যয় নিয়ে পত্রিকাটির পথচলার শুরু। কিন্তু এর পাশাপাশি বিপ্লব চেতনার প্রকাশও পয়লা থেকেই ‘জয়শ্রী’-তে প্রকাশিত লেখাপত্রে পরিলক্ষিত হতো। প্রথম সংখ্যাতেই যেমন ছাপা হয়েছিল ঊষা রায়ের লেখা প্রবন্ধ, ‘সমাজতন্ত্রের অ-আ-ক-খ’। শিরোনামইে এর বক্তব্য ও উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই স্পষ্ট। দ্বিতীয় বর্ষের সপ্তম সংখ্যায় (কার্তিক, ১৩৩৯) দেখি কমলা মুখার্জির প্রবন্ধ: ‘মার্গারেট স্যাঙ্গার: জন্মশাসনের প্রধান প্রচারক


ও গুরু’। আজ থেকে প্রায় ৯০ বছর আগেই ‘জয়শ্রী’ জন্মনিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিল। এ থেকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞানমুখী ভাবনা ও উদার মনের পরিচয়ও মেলে বৈকি। ওই একই সংখ্যায় প্রকাশ পায় নরওয়ের বিশ্বখ্যাত লেখক নুট হামসুনের বিখ্যাত ‘হাঙ্গার’ উপন্যাস নিয়ে সুলতা করের দীর্ঘ আলোচনা। আরো আছে গল্প-উপন্যাস, ‘নব্য রাশিয়ায় দৈনন্দিন জীবন’ শীর্ষক জ্যোত্স্না চন্দের রচনা, প্রাচীন ভারতের নারীর অবস্থান নিয়ে ঐতিহাসিক আলোচনা ও অবলা বসুর একটি ভাষণও। একটি সংখ্যাতেই এতসব বৈচিত্র্যপূর্ণ লেখার সমাহার সেকালের পরিপ্রেক্ষিতে নিশ্চয়ই মুগ্ধ করার মতোই।

‘জয়শ্রী’ আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিভাগ ছিল ‘বিচিত্রা’, সেখানে সাম্প্রতিক নারী আন্দোলন ও নারীদের নানা অর্জনের খবরাখবর প্রকাশ হতো। দ্বিতীয় বর্ষের অষ্টম সংখ্যা থেকে (অগ্রহায়ণ, ১৩৩৯) উদাহরণ হিসেবে ‘জয়শ্রী’-এরই তখনকার নিয়মিত লেখক কমলা মুখার্জিকে নিয়ে ‘আমেরিকা প্রবাসিনী বাঙালী মহিলা’ শীর্ষক ‘বিচিত্রা’ বিভাগে ছাপা হওয়া একটি সংবাদের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করা হলো: ‘স্বাধীন দেশের আবহাওয়া মানবের কার্যক্ষমতা ও চিন্তাশক্তি বিকাশে কতদূর সাহায্য করে শ্রীযুক্তা কমলা মুখার্জি তাহার অন্যতম উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি পূর্ববঙ্গের সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের কন্যা ও বধূ, স্কুল-কলেজের শিক্ষা লাভের বিশেষ কোনো সুযোগই বাল্যকালে তিনি পান নাই। বিবাহের পরে স্বামীসহ আমেরিকায় গমন করেন। সেখানকার পারিপার্শ্বিক অবস্থাই তাহার শিক্ষার সুযোগ দিয়াছে। এই অনুকূল আবহাওয়ায় স্বীয় তীক্ষ বুদ্ধি ও অধ্যবসায়ের বলে তিনি তথাকথিত উচ্চশিক্ষা প্রাপ্ত না হইলেও যে শিক্ষালাভ করিয়াছেন, এদেশে শিক্ষিতা সমাজেও তাহা অতি দুর্লভ।...’ অনুরূপ আরেকটি বিভাগ ‘আলোচনী’তে দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হতো।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ‘জয়শ্রী’তে অবশ্য লেখার বৈচিত্র্য আরো বেড়েছিল। তখন সেখানে রমেশচন্দ্র মজুমদার থেকে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতো প্রবীণ পতিদের রচনা ছাপা হয়েছে। ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, বীণা ভৌমিক বা কালীচরণ ঘোষের মতো সক্রিয় বিপ্লবীদের প্রবন্ধ-নিবন্ধ অথবা স্মৃতিচারণের কথা তো বলাই বাহুল্য। প্রেমেন্দ্র মিত্র, বিনয় ঘোষ কি জীবনানন্দ দাশের মতো বাংলা সাহিত্যজগতে নতুন বিদ্যুচ্চমক এনে দেয়া লেখকরাও তখন সেখানে নিয়মিত লেখা শুরু করেছেন। অষ্টম বর্ষের অষ্টম সংখ্যার (মাঘ, ১৩৪৬) শুরুই হয়েছে স্বয়ং জীবনানন্দ দাশের দুটি কবিতা, ‘অনুভব’ ও ‘মৃত মানুষ’ দিয়ে। একালের পাঠকের আগ্রহ মেটাতে শেষোক্ত কবিতাটি এখানে তুলে দেয়া গেল: ‘সমস্ত শরীর তার জড়ানো রয়েছে ফিট যুদ্ধের শোভায়;/যেন কেউ ঈশ্বরের চেয়ে কিছু কম গরিমায়/তাহার প্রত্যঙ্গে আছে পরিপূর্ণ হয়ে;—/সঞ্চারণ করিলেই উঠিবে সে  জেগে।/নীল আকাশের নিচে অনন্ত জলের নদী—প্রণয়ের চেয়ে—/দায়িত্ব বিশিষ্টতর ছিল


তার?/বিলোল বায়ুর চেয়ে ছিল ঢের কৃতী শৃঙ্খলার:/বহু শতাব্দীর পরে মানুষের মত স্বর পেয়ে?/এই সব প্রশ্ন তবু নয় আর মানবিকতার।/এখন গিয়েছে সব অস্ফূট বায়ুর মত হয়ে।’

 

শাকের আনোয়ার: প্রাবন্ধিক