পাবলো নেরুদা

অনুবাদ: ইবনে মোতালেব

আগুন ঝলসানো রাস্তা ধরে

আমি হাঁটছিলাম

আগুন লাগা ভুট্টা ক্ষেতে

ভুট্টা ফোটার মতো সূর্য ফুটছিল

পৃথিবী

গরম ছিল

মাথার ওপর শূন্য নীলাকাশের

অনন্ত বৃত্ত।

কয়েকটি বাইসাইকেল চলে যায়

আমার পাশ দিয়ে

গ্রীষ্মের সেই

শুকনো মুহূর্তে

কেবল কীটপতঙ্গ

নিশ্চুপ,

মথ হয়ে আছে

দ্যুতি ছড়াচ্ছে

তারা আর বাতাস

তোলপাড় করে না।

তাদের চোখ

গ্রীষ্মকে দিয়ে&dquote;&dquote;

তাদের মাথা

আকাশে উঁচিয়ে গুরবে পোকা ধাঁচের

শক্ত পাটাতনে বসে

শ্রমিক ও বালিকারা

কারখানার পথে চলেছে

তারা সাইকেলের

চাকা ঘোরায়, বাইসাইকেল

সশব্দে সেতু, গোলাপবন

কাঁটাবন পেরিয়ে

মধ্যদুপুরে যায়।

আমি সন্ধ্যার কথা ভাবি

যখন ছেলেরা হাতমুখ ধোয়, গান গায়, খায় আর

ভালোবাসা ও জীবনকে

সম্মান জানাতে

সুরার পাত্র উঁচিয়ে ধরে

দরজায় তখন বাইসাইকেল

অপেক্ষায় থাকে,

নিথর,

কারণ সচল হলেই

কেবল আত্মা আসে

পড়ে থাকলে সেখানে

দ্যুতি ছড়ানো পতঙ্গ নয়

গ্রীষ্মজুড়ে গুনগুন করে যাবে

বরং একটি

শীতল কঙ্কাল

যখন প্রয়োজন তখনই

জীবনে ফিরে আসবে

যখন আলো আসবে

প্রতিটি দিনের

পুনরুজ্জীবনের সাথে।