লর্ড পেথিক-লরেন্স (১৮৭১-১৯৬১) ব্রিটিশ লেবার পার্টির নেতা এবং ১৯৪৫-৪৭ পর্যন্ত ব্রিটেনের সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড বার্মা; তখন প্রধানমন্ত্রী ক্লেমেন্ট এটলি। ১৯৪৭-এ ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার আলোচনায় দরকষাকষি ও সমঝোতাকারীদের তিনিও একজন। আর ফিল্ড মার্শাল আর্চিবল্ড ওয়াভেল (১৮৮৩-১৯৫০) ১৯৪৩-৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতের ব্রিটিশ ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল। তার পর পরই শেষ গভর্নর জেনারেল হিসেবে যোগ দেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

২২ নভেম্বর ১৯৪৬ ওয়াভেল দিল্লির ভাইসরয়’স হাউজ (এখন যা রাষ্ট্রপতি ভবন) থেকে লর্ড পেথিক-লরেন্সকে যে চিঠি লিখেছেন তার একাংশ অনূদিত হলো—

পূর্ব বাংলা, বিহার ও যুক্ত প্রদেশে বুনো সাম্প্রদায়িকতার যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে তা ভারতের সবকিছুকে মেঘাবৃত করে ফেলেছে।

যে পাশবিকতায় বিহার ও যুক্ত প্রদেশে (রাজধানী লক্ষেৗ, এখন উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের অংশ) মুসলমানদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়েছে তার তীব্রতা ও ভয়াবহতা সম্পর্কে ইংল্যান্ডে আদৌ কোনো ধারণা আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে। আগস্টে কলকাতা হত্যাকাণ্ডের জন্য নিঃসন্দেহে মুসলমানদের ডাইরেক্ট অ্যাকশন নীতিকে দায়ী করতে হবে। সেখানে দুই পক্ষের নিহতের সংখ্যার অনুপাত সম্ভবত ৫০.৫০; আর নোয়াখালী ও ত্রিপুরায় দাঙ্গার জন্য সম্ভবত মুসলিম লীগ সমর্থকদের প্ররোচনাই দায়ী; আমি নিশ্চিত এ বিষয়ে মুসলিম লীগ নেতাদের কিছুই করার ছিল না। কিন্তু বিহার ও উত্তর প্রদেশে পাশবিকতা যে মাত্রায় ঘটেছে, ব্রিটিশদের ভারত অধিকার করার পর থেকে এ পর্যন্ত যা কিছু ঘটেছে তাতে আমি এ ধরনের নিষ্ঠুরতা কল্পনাও করতে পারি না। আর আমার তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কংগ্রেসের সমর্থকদের মাধ্যমেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ভেবেচিন্তে এ হত্যাযজ্ঞ ঘটানো হয়েছে। আমি এখানেও নিশ্চিত, কংগ্রেস নেতারা এতে জড়িত ছিলেন না। তবে আমি মনে করি, কয়েকজন মন্ত্রী এ রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় উসকানি দিয়ে এবং প্রতিহত করার চেষ্টা না করে নোয়াখালীর ঘটনার প্রতিশোধ নিতে বেপরোয়া আচরণ করেছেন এবং দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন।

বিহারে কতজনকে হত্যা করা হয়েছে তা আমি এখনো জানি না। আপনি দেখে থাকতে পারেন জিন্নাহ সংখ্যাটি ৩০ হাজার বলে উল্লেখ করেছেন আর সৎ ও মধ্যপন্থী বলে পরিচিত নাজিমউদ্দিন বলেছেন, সংখ্যাটা ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে। সরকারি হিসেবে চার-পাঁচ হাজার আর আমার অনুমান পাঁচ থেকে ১০ হাজারের মধ্যে। প্রকৃত সংখ্যা কেউ এখনো জানে না, কেউ কখনো জানবে না। গভর্নর পূর্ব বাংলার যে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন তাতে নিহতের সংখ্যা দুই-তিনশর মধ্যে। তবে শরণার্থীর সংখ্যা হাজারের অংকে। আর বিহার সরকারের হিসাবে তাদের শরণার্থী ১ লাখ ২০ হাজার। মুসলিম লীগের হিসাবে দেড় লাখ।

যুক্ত প্রদেশে কী ঘটেছে তার পুরো বিবরণ আমি এখনো পাইনি। হিন্দুদের একটি মেলা চলছিল। তাতে অংশগ্রহণকারী ছিল দুই-তিন হাজার। যেটুকু সাক্ষ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে বোঝা যায়, কোনো তুচ্ছ অজুহাত সৃষ্টি করে কিংবা না করেই তাদের একটি অংশ মুসলমানদের ওপর আক্রমণ শুরু করে, কার্যত তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়, তাদের বাড়িঘর ও সম্পদ ধ্বংস করে ফেলে। বিহারের সঙ্গে তুলনা করলে মৃতের সংখ্যা কম। তা ৫০০ হতে পারে, এক হাজার হতে পারে—সেখানে যত মুসলমান পাওয়া গেছে কার্যত তাদের সবাইকেই হত্যা করা হয়েছে।

আমি যা বলেছি তা কোনোভাবে দাঙ্গার পূর্ণ কাহিনী নয়। তবে এ মুহূর্তে আমি যতটা সম্ভব সঠিক বৃত্তান্ত দেয়ার চেষ্টা করেছি। প্রথমত, আগের সময়গুলোতে ভারতে যেমন হঠাৎ উত্তেজিত জনতা দাঙ্গার সৃষ্টি করেছে এবারের ঘটনা সে রকম নয়, অত্যন্ত বাজে ধরনের রাজনৈতিক লোকজন স্বেচ্ছায় পরিকল্পিতভাবে এ দাঙ্গার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। পূর্ববঙ্গের ঘটনা ঘটিয়েছে মুসলিম লীগের বাজে কিছু সমর্থক আর বিহার ও যুক্ত প্রদেশে এটা করেছে কংগ্রেসের নিচু স্তরের লোকজন। দ্বিতীয়ত, সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে যে যত ঘটনা ঘটেছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে আগাগোড়া নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে তা মনে করে ভারতীয় পুলিশ কিংবা ভারতীয় কোনো কর্মকর্তার ওপর আদৌ নির্ভর করা যাবে না।

তৃতীয়ত, বিশেষ করে বিহারে এবং কিছুটা কম মাত্রায় বাংলায় প্রশাসনিক সমস্যা প্রাদেশিক সরকারের সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। শতসহস্র শরণার্থী চলে এসেছে, যাদের আর নিজের গ্রামে ফিরে যাওয়ার সাহস নেই। তারা সব সম্পদ হারিয়েছে, শ্রমিকের অভাবে তারা নিজেদের রোপিত শস্য ঘরে তুলতে পারবে না। যে সম্পদ নষ্ট করা হয়েছে তার মূল্য লাখ টাকা।

শরণার্থীদের আশ্রয়দান, খাদ্য সরবরাহ, পোশাক-আশাক প্রদান এ মুহূর্তে প্রথম ও প্রধান সমস্যা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে পরিত্যক্ত ফসল কাটার শ্রমিক সরবরাহ আর তৃতীয় সমস্যা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত শরণার্থীদের পুনর্বাসন এবং তাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা।

***

স্যার ফ্রেডেরিক জন বারোজ (১৮৮৭-১৯৭৩) বাংলায় ভারতের ব্রিটিশরাজের শেষ গভর্নর ছিলেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ থেকে ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ পর্যন্ত গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলা ভাগের বিপক্ষে ছিলেন। ১৮ নভেম্বর ১৯৪৬ তিনি সেক্রেটারি অব স্টেট স্যার পেথিক-লরেন্সকে একটি চিঠি লেখেন এবং চিঠির সঙ্গে সংসদীয় প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য পরিস্থিতির ওপর একটি নোট সংযুক্ত করেন।

 

প্রাপক: লর্ড পেথিক-লরেন্স

সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড বার্মা

প্রেরক: স্যার এফ বারোজ

গভর্নমেন্ট হাউজ

কলকাতা, ১৮ নভেম্বর ১৯৪৬

 প্রিয় সেক্রেটারি অব স্টেট,

আপনার ২৬ অক্টোবর টেলিগ্রামের জবাবে আমি ২৯ অক্টোবর আমার ২৯১ নম্বর টেলিগ্রামে নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলায় সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির একটি পর্যালোচনা পাঠিয়েছি। বাড়ি ছেড়ে যাওয়া হাজার হাজার ভুক্তভোগী মানুষের অনুপস্থিতি এবং যারা তাদের গ্রামে এখনো রয়ে গেছে, তথ্য প্রদানে তাদের অনীহার কারণে পরিপূর্ণ সংখ্যার প্রতিবেদন প্রদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তার পরও সর্বশেষ যে তথ্য আমার কাছে এসেছে তার ভিত্তিতে আপনার জন্য একটি নোট পাঠাচ্ছি, যা সংসদীয় আরো কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে কাজে লাগবে। আমার এ নোটের কপি অবশ্যই ভাইসরয়কে (আর্চিবল্ড ওয়াভেল) পাঠিয়েছি।

আপনার একান্ত

জে বারোজ

 আংশিক সংযুক্তি:

দুটি জেলায় (নোয়াখালী ও ত্রিপুরা) উপদ্রব চলাকালীন প্রতিদিনের বিবরণী এখনো পাওয়া যায়নি।

 

সংকটের আশ্র কারণ একটি গণজমায়েত আয়োজন ও গোলাম সারওয়ার হুসেইনির প্ররোচনামূলক ভাষণ এবং তার পর পরই রামগঞ্জ থানার একটি বাজার লুট। জমায়েতের আয়োজনকারী ও বক্তা গোলাম সারওয়ার হুসেইনিকে ২২ অক্টোরব ১৯৪৬ গ্রেফতার করা হয়েছে।

রামগঞ্জ বাজার লুটের পরপর সংকট দ্রুত প্রতিবেশী গ্রামগুলোতে ছাড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে থেকে রামগঞ্জ থানার সর্বত্র। পরবর্তী কয়েকদিনে তা বেগমগঞ্জ থানার পশ্চিমাংশ, লক্ষ্মীপুর থানার উত্তরাংশের দক্ষিণ ভাগ এবং রায়পুর থানার একাংশেও ছাড়িয়ে যায়। ১৬ নভেম্বর নাগাদ নোয়াখালী (সন্দ্বীপে সংঘটিত বিছিন্ন ঘটনা বাদ দিয়ে) এবং ২০ নভেম্বর নাগাদ ত্রিপুরা জেলায় এ উপদ্রব শেষ হয়ে আসে। নোয়াখালী থেকে দুর্বৃত্ত প্রকৃতির লোকজন এসে ১৩ তারিখে হাজিগঞ্জ থানার দক্ষিণাংশে উপদ্রব ছড়িয়ে দেয় এবং সেখান থেকে প্রতিবেশী ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুর থানার পশ্চিমাংশে ও লাকসামে ছড়িয়ে পড়ে।

 প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উপদ্রব ছড়িয়ে পড়া গ্রামের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৫০; এখন ৩৭০।

  এখন যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে আমাদের ধারণাকে সমর্থন করে। অদাপ্তরিক হিন্দু উৎস থেকে মৃতের সংখ্যা বহু বাড়িয়ে জমা হয়েছে। সংখ্যাটি অবশ্যই কমে তিন অংকে সীমাবদ্ধ থাকবে। সহিংসতা শুরু হওয়ার এখন পর্যন্ত দুই জেলায় মৃতের সংখ্যা ছিল ১৩১ আর এখন ১৩৩ এবং এ সংখ্যা কোনোভাবেই ২০০-এর বেশি হবে বলে আমি মনে করি না।

 কোনো সন্দেহ নেই যে ব্যাপক লুটতরাজের ঘটনা ঘটেছে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। রায়পুর ছাড়া দুই জেলায় লুটতরাজকৃত এবং অগ্নিসংযোগকৃত বাড়িঘর ও দোকানের সংখ্যা ২ হাজার ৫২; রায়পুরের হিসাব এখনো হাতে আসেনি।

  জোরপূর্বক ধর্মান্তর করার ঘটনার প্রকৃত খবর কখনো জানা যাবে না। কারণ হিন্দুরা তা স্বীকার করতে চাইবে না যে তারা ধর্মান্তরিত হয়েছে। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই, বলপূর্বক ধর্মান্তরকরণের ঘটনা ঘটেছে এবং সংখ্যাটি বেশ বড়। নোয়াখালীতেই তা সবচেয়ে বেশি। গণধর্মান্তরের ঘটনা বিভিন্নভাবে ঘটেছে। এ মাসের প্রথম দিকে যে ধারণা পাওয়া গেছে তাতে মনে হয়েছে, থানা বা পুলিশ ফাঁড়ি কিংবা সামরিক ঘাঁটিসংলগ্ন এলাকায় ধর্মান্তর করার ঘটনা ঘটেনি, কিন্তু অন্যত্র ধর্মান্তর করার হুমকি ও চাপ অব্যাহত রয়েছে। খতনা করানোর কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। জেলা মুসলিম লীগের সেক্রেটারি ও স্থানীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট একটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে বার্তা দিয়েছেন যে ইসলামে বলপূর্বক ধর্মান্তরকরণের কোনো স্বীকৃতি নেই। ত্রিপুরা জেলায়ও ব্যাপক হারে বিভিন্নভাবে বলপূর্বক ধর্মান্তর করা হয়েছে।

  অপহরণ, বলপূর্বক বিয়ে, ধর্ষণ—এসব বিষয়ে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করে বলে এ সম্পর্কে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি। যে তথ্য হাতে এসেছে তাতে বলার উপায় নেই, নোয়াখালীতে বিপুলসংখ্যক ধর্মান্তর ও অপহরণের ঘটনা ঘটছে। প্রকৃতপক্ষে একটি মাত্র ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।

একই পরিস্থিতি ত্রিপুরায়, হাতে যে তথ্য আছে তাতে এটা কখনো প্রমাণ করা যাবে না যে বড় ধরনের কিছু ঘটেছে। পরীক্ষিত কোনো সংখ্যা এখনো সেখান থেকে পাঠানো হয়নি। একজন জ্যেষ্ঠ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য আহরণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাতে কোনো নারীকে অপহরণের কোনো অভিযোগ পাননি। এ ধরনের নতুন কোনো ঘটনাও ঘটেনি। শোনা কথার ওপর ভিত্তি করে শিশু ও নারীদের বাড়িতে কিংবা স্কুলে তুলে নিয়ে যাওয়ার এবং এমনকি ধর্ষণের কথাও রেকর্ড করা হয়েছে, যা তদন্ত করে সত্যায়ন করা সম্ভব হয়নি। ত্রিপুরায় বলপূর্বক বিয়ের কোনো ঘটনা জানানো হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, ঘটে থাকলে তা সংখ্যয় অত্যন্ত কম।

 এ মাসের শুরুতেও হিন্দুদের ত্রিপুরা থেকে ত্রাণ সংগ্রহের জন্য তাদের সঙ্গে পুলিশ কিংবা সেনাবাহিনীর প্রহরা দল থাকত। নোয়াখালীতে হিন্দু অধ্যুষিত অনেক জায়গায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ধর্মান্তরের ঘটনা ঘটেছে। সে গ্রামগুলো কার্যত জনশূন্য—প্রধানত লক্ষ্মীপুরের বহিরা ও রায়পুর থানার প্রায় ১৫টি গ্রাম এর মধ্যে পড়ে।

 নোয়াখালী উপদ্রবের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য:

ক. স্কুল কিংবা পোস্ট অফিসের ক্ষতি হয়নি,

খ. অসংখ্য জায়গায় মুসলমানরা হিন্দুদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে, হেফাজতে রেখেছে।

গ. জনতা কদাচিৎ নারী ও শিশুকে হত্যা বা আহত করেছে।

ঘ. আক্রান্ত গ্রামের মুসলমান পুরুষ ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের লোকজন নিয়েই আক্রমণকারী জনতার সংখ্যা বেড়ে যায়,

ঙ. প্রথম দিকে সীমান্ত পেরিয়ে লুটেরারা এলেও এখন সবাই নিজ ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের।

গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরের চিঠি দুটো দাঙ্গার চিত্র তুলে ধরে। গভর্নরের চিঠিতে লক্ষণীয়, তিনি দাঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেননি। দাঙ্গা এলাকাকে বলেছেন

ডিস্টার্বড এরিয়া—উপদ্রুত এলাকা।


আন্দালিব রাশদী: কথাসাহিত্যিক