কলকাতার বড়বাজার থেকে শুরু করে আগ্রা, এলাহাবাদ, বেনারস, কানপুর, ঢাকা, দিল্লি, লাহোর, লখনৌ, এমনকি বার্মার রেঙ্গুন ও মৌলমেইন পর্যন্ত ব্যাংকের শাখা স্থাপিত হয়। প্রতিটি শাখার প্রধান হিসেবে একজন এজেন্ট বা শাখা ব্যবস্থাপক দায়িত্ব পালন করতেন। তাদের সহায়তায় থাকতেন হিসাবরক্ষক ও অন্যান্য সহকারী কর্মচারী। কোথাও ‘কার্যনির্বাহী’ বা অস্থায়ী এজেন্টও দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যাংকটি ঔপনিবেশিক অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছিল এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি প্রভাব ফেলেছিল









