বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির লীলাভূমি মৌলভীবাজার জেলার একমাত্র মুসলিম ধর্মাবলম্বী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো মণিপুরি মুসলিম (পাঙাল)। নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ ও লালন করে এ মাটিতে দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করছে মণিপুরি মুসলিমরা। মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি স্বতন্ত্র। নিজস্ব উৎসব, আচার-প্রথা, রীতি-নীতি নিয়ে তারা এ দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

বিয়ে

পাঙাল সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিবাহ পর্ব। তাদের বিবাহ রীতি বাঙালিদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকের। এ সমাজে ঘটক প্রথা চালু নেই। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা কতগুলো পর্যায়ে বিভক্ত থাকে। বিয়ে সমগোত্র ও ভিন্ন গোত্রের মধ্যেও হয়। বিয়ের প্রস্তাবের তিনটি পর্ব রয়েছে। কনেপক্ষের প্রতিবেশী কিংবা নিকটাত্মীয়র কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়ে শুভ সংকেত পেলে প্রথমে প্রস্তাব দেয়া হয়। তিন-চারজন পুরুষ তাদের সঙ্গে মালি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি (লুথং) ৮৮/৯৮/১০৮ তাঙ্খা শুধু পান-সুপারি নিয়ে যেত এবং লুথংয়ের ঢাকনার কাপড় সবুজ (অশংবা), হলুদ (ইয়াইঙাং), লাল (অঙাংবা) ইত্যাদি রঙের ছিল, যা ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে প্রচলিত ছিল। দ্বিতীয় প্রস্তাবের পর্বটা বর ও কনের গ্রামের বিভিন্ন গোত্র ও নিকটাত্মীয়র মধ্যে পরিচয় পর্ব ছিল। এ পর্বে সাত-আটজন পুরুষ ও নারী যেতেন এবং সঙ্গে মালি ১৮৮/১৮৭/২০৮ তাঙ্খা পান-সুপারি (ক্বা) ইত্যাদি নিয়ে যেত। মোহরানা (ফিরোই) সম্পর্কিত আলাপ-আলোচনা এ পর্বে সম্পন্ন করা হতো। মোহরানা ব্রিটিশ আমলে ২০০-৩০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পাকিস্তান আমলে মোহরানা ৫০০ থেকে দেড় হাজার পর্যন্ত বেড়েছিল, যা স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে বেড়ে গিয়ে বর্তমানে দেড়-দুই লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। তৃতীয় পর্বে বরপক্ষের একজন মুরব্বি ও মালি ৬০৮/৭০৮/৮০৮ তাঙ্খা ইত্যাদি বড় আকারের পান-সুপারি নেয়া হয়, কিন্তু বরপক্ষের মতামত ও তাদের প্রদেয় সংখ্যা মোতাবেক পান-সুপারি, মিষ্টি, খই, ফলমূল ইত্যাদি কনের অনুষ্ঠানের (পুরজাক) দিন নেয়া হয়, যা উভয় পক্ষের পঞ্চায়েতের পরিচয় পর্ব হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

বিয়ের আগের দিন রাতব্যাপী বর ও কনের বাড়িতে আলাদাভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং এটাকে বলা হয় ‘পুরজাক’। এ অনুষ্ঠানে কনের পরনে থাকে বিশেষ ধরনের পোশাক (কমিন), খেমচি ব্লাউজ ও মাথায় থাকে ব্যতিক্রমী কাজ ও ফুল দিয়ে ঝালর দেয়া গোলাকার (লৈত্রেং)। অন্যদিকে বর থাকে স্বাভাবিক সাজে। বর ও কনের উভয় অনুষ্ঠানে রাতব্যাপী চলে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরি গান। যুবক-যুবতীসহ সবাই মেতে ওঠে গানে এবং সঙ্গে যুক্ত হয় ঐতিহ্যবাহী নৃত্য (থাবল চংবা)। পরের দিন বর বাঙালিদের মতো পাঞ্জাবি-পায়জামা, শেরওয়ানি ইত্যাদি পরে বন্ধুবান্ধবসহ নিজ পঞ্চায়েতের লোকজন নিয়ে বরযাত্রী দল রওনা হয়। বরযাত্রীদের সবাইকে খইয়ের তৈরি মালা পরানো হয়, যা কনের গোত্রের মানুষ ও বান্ধবীরা তৈরি করে।

যাত্রার সময় বর নিজের মা-বাবা ও মুরব্বিদের সালাম করে এবং ঐতিহ্যবাহী চাদর ‘কাংথমফিদার’ ওপর পা দিয়ে যাত্রা করার প্রচলন আছে। কনের বাড়িতে পৌঁছার পর বরযাত্রীর দল মুরব্বিদের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করে। কনেবাড়ির মহল্লার ইমাম সাহেব ইসলামী তরিকায় কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক বিয়ে পড়ান। তবে তিনজন গাওয়া উকিল (একজন উকিল ও দুজন সাক্ষী) থাকে। বর ও কনে আলাদাভাবে বসে, নিচু স্বরে কবুল বলে এবং গাওয়া উকিল তার সাক্ষী হয়। বিয়ের তিন-চারদিন পর ফিরতি যাত্রা (হিনাম) হয় এবং বিয়ের পর বিয়াই-বিয়াইন (ঙাইসেল খংনাবা) একে অন্যকে দাওয়াত দিয়ে পরিচয় পর্বের আনুষ্ঠানিকতাও প্রচলিত রয়েছে।

অতীতে বর ধুতি পরে পালকি কিংবা হাতি-ঘোড়া নিয়ে যাত্রা করত। বর ও কনেকে রাজা-রানীর মর্যাদা দেওয়া হয়। বিয়ের আগে বরের পক্ষ থেকে গান পরিবেশন করা আবশ্যিক ছিল, যা বর্তমানে অনেকটা শিথিল হয়েছে।

পোশাক-পরিচ্ছদ

এ সম্প্রদায়ের পোশাক-পরিচ্ছদে স্বাতন্ত্র্য রয়েছে। পুরুষরা বাঙালিদের মতো শার্ট, প্যান্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি ইত্যাদি ব্যবহার করে এবং নারীরা নিজস্ব তাঁতে তৈরি পোশাক ব্যবহার করে। যুবতী মেয়েরা কোমর পর্যন্ত প্যাঁচানো কাপড় ‘ফানেক’ ব্যবহার করে। ফানেকগুলোর নাম (মণিপুরি ভাষায়) হলো সালু, হাংগামপাল, সোনারাং, চুমহাপ্পা, মকং (বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইন) ইত্যাদি। বিবাহিত নারীদের ফানেকগুলোর নাম হলো লৈফানেক আরলবা, লৈফানেক মায়াইরনবি, সালু ফানেক আরনবা, লৈচিল ফানেক, উরেং আরনবা, উরেং চুমহাপ্পা, লৈচিল উরেং ইত্যাদি। বিবাহিত নারীরা ফানেক বুক পর্যন্ত এবং কোমরে খুয়াংনাম্ফি ও সঙ্গে ওড়না (ইন্নাফি বা খুদাই) পরিধান করে। বিবাহিত নারীরা বিশেষ ধরনের বোরকা ও ছাতা ব্যবহার করে। কলকাতা থেকে প্রকাশিত মাসিক ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রকাশ: “The Manipuri Muslim women did never come out on the street as half naked-full sleeve jacket entirely bottomed up to neck, dressed up to the sole of the feet a scarf on it, above all an umbrella on head. Face or any part of the body of any Manipuri Muslim women (except the finger of hand and feet) can never seen on the street.”

থাবাল চোংবা (নৃত্য)

মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য হচ্ছে থাবাল চোংবা। সাধারণত কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে কিংবা কোনো বিশেষ উৎসবে যুবক-যুবতীরা আলাদা ও যৌথভাবে এ নৃত্য পরিবেশন করে। এর প্রচার ও প্রসারের জন্য মাঝেমধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

থাবাল চোংবা নাচের জন্য ব্যবহূত একটি গান নিচে দেয়া হলো—

ঙসিনা কোরৌ নুমিত্তা

ঙসিনা লালরেল নোঞ্জদা

পন্থৌগী শুমাং মথৌগুম

হরাওবা মলোয় কারেদা

শাবী শানৌ সেবিকসু

খুজেংদা পলোয় নখুত্তা

(মণিপুরি ভাষায়। সংক্ষেপিত রূপে উপস্থাপিত)

গানটির কথা বাংলা অনুবাদ করলে এমন হবে—

আজকের এই আনন্দময় মুহূর্তে

সুর-ছন্দের তালে তালে

আনন্দের বন্যা জন্মদাতার উঠোনে

যুবক-যুবতীদের মিলনমেলা

হাতে হাত মিলিয়ে আনন্দ উল্লাস করে...

গান

মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী গানগুলো নিম্নরূপ—

কাসিদা (ফার্সি ভাষা), ইন্দার সাফা (উর্দু ভাষা), কাওয়ালি, গজল, মারিফতি ও আসেমবা ঈশৈই (নিজস্ব ভাষায় রচিত) ইত্যাদি। প্রতিটি গ্রামে কমপক্ষে দু-তিনটি গানের দল থাকে। গানের প্রতিযোগিতা হয় বিয়ে কিংবা অন্য কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানে। ন্যূনতম দু-তিনজন নিয়ে গঠিত ছেলে ও মেয়ের দল পাল্টাপাল্টি গানের প্রতিযেগিতায় অংশগ্রহণ করে। দর্শকদের বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় প্রতিযোগিতা ভোর পর্যন্ত চলে। পরিশেষে কনেপক্ষের মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে প্রতিযোগিতার নিষ্পত্তি ঘটে।

শিশুর ঘুম পাড়ানো গান (নাউথেম ঈশৈই)—

হা-ইমা, ইমা-ও...

ঐসু লাক্কে ইমাও

য়েমপাক উপ্তানা লাক্কে

লাম্বি নাল্লি লাক্কানু

চায়শু শুদানা লাক্কে ইমা।

(মণিপুরি ভাষায়)

গানটির বাংলা অনুবাদ:

মা মা আমিও আসব..

বৃষ্টি পড়ছে এসো না

ছাতা মাথায় আসব

পথ পিচ্ছিল এসো না

লাঠিতে ভর দিয়ে আসব মা।

ঘরবাড়ি

মণিপুরি মুসলিমদের নিজস্ব স্থাপত্যরীতিও আছে। তাদের সমাজের ঘরবাড়ির বৈশিষ্ট্য ও কারুকাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকের ছিল। প্রায় সব ঘরবাড়িতে কারুকাজ দেখা যেত। অধিকাংশ ঘর কাঠের তৈরি এবং টিন বা শনের ছাউনি ছিল। পূর্ব-পশ্চিমমুখী ঘরকে বলা হতো ‘সাংগাই’। উত্তর-দক্ষিণমুখী ঘরকে বলা হতো ‘সাংফাই’। প্রতিটি ঘরে কমপক্ষে ২১-২২টি খুঁটি থাকত এবং কক্ষগুলোর ভিন্ন ভিন্ন নাম ছিল। যেমন ছেলের কক্ষ (পিবা কা), ঘরের ডানদিকে মেয়ের কক্ষ (নিঙল কা), ভেতরের দিকে মা-বাবার কক্ষ (মাইবা কা), বাসরঘর (ফামুং কা), সামনের দিকে রান্নাঘর (ফুঙ্গা কা)। তিন পায়াবিশিষ্ট অ্যাঙ্গেল (জসবি) দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের চুলা থাকত ঘরের ভেতরে সোজা মূল দরজা বরাবর। এ যুগে এসে অবশ্য এসব ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশৈলী জৌলুস হারিয়েছে। বর্তমানে আধুনিক নকশায় ঘরবাড়ি নির্মাণ হচ্ছে।

গোত্র (সাগৈ)

মণিপুরি মুসলিমদের মধ্যে মোট ৭৩টি গোত্র রয়েছে। তার মধ্যে নিম্নোক্ত গোত্রের সদস্যরা বাংলাদেশে বসবাস করছেন। যেমন: আরিবাম, ইফাম, ময়নাম, থৌবাল, ময়জিং, কিয়াংবাই, কৈনৌ, সাজবম, তাংথং, কন্থা, তামপাকনাই, ইংখাম, নবাব, সারা, সাংগমসুম্বা, কাইথেল ইংখোল, কাউচিং ইত্যাদি।

শিশুর নামকরণ

জন্মের পর মণিপুরি মুসলিম শিশুর নামকরণেও নিজস্বতা ছিল। মণিপুরি ভাষায় নামকরণ হতো। ছেলেদের নাম আঙাউ, আমুদল, আমুজাও, আবুং, আচাউ, তলেন, তনজাও, পিতু, মুথই, মুরেল ইত্যাদি। মেয়েদের নাম ঙাউবি, ইবেথই, ইবেমহাল, খইনু, তনু, তম্বিসানা, সানাতম্বি, সানানু, সানারাই, থরো, লেহাউ, লৈনুন ইত্যাদি। বর্তমানে বাঙালিদের মতোও শিশুর নামকরণ করা হয়।

খেলাধুলা

পাঙালদের উল্লেখযোগ্য খেলার মধ্যে রয়েছে মুকা (অনেকটা কুস্তির মতো), কাংজৈ খেলা (হকি খেলার অনুরূপ), কাং শান্নাবা (কাং খেলা) ইত্যাদি।

মুকা: মুকা খেলাটি ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে আন্তঃপাঙাল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় খেলা ছিল। এ খেলা সাধারণত মাঘ-ফাল্গুন মাসে অনুষ্ঠিত হত। মুকা খেলোয়াড়রা মার্কিন কাপড় (গামছার মতো) পরিধান করত। এ খেলায় প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার জন্য ৪০ টির মতো কৌশল (লৌ) ছিল। এখানে এমন কৌশলের কয়েকটি উল্লেখ কর হল—চেপচিং, নিঙ্গল, আয়েতপী, লংগ্রাউ, লংচেপ, ফাম্মুন, খুলৌ কারাল, খুদং ঙাকথি চপ্পা, পামজেৎ প্রভৃতি।

মুকা খেলায় পাঙালদের মধ্যে যারা প্রসিদ্ধ ছিলেন তারা হলেন—মোহাম্মদ ইসলাম (কোনাগাঁও), মো. আবদুর রশিদ খান (পশ্চিম জালালপুর), মো. আবদুল হাই (পশ্চিম কান্দিগাঁও), মাওলানা আমির উদ্দিন (পশ্চিম কান্দিগাঁও), মো. আমির উল্লাহ (গোলেরহাওর) প্রমুখ।

কাংজৈ: এ খেলাটি পাঙাল সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খেলা ছিল। এ খেলা মাঘ-ফাল্গুন মাসে অনুষ্ঠিত হত। এ খেলার ব্যাট প্রায় দেড় হাত বা দুই হাত লম্বা এবং বলটি (শনাইবী মারু) শুকনো বরুয়া বাঁশের বীজ দিয়ে তৈরি, যা টেনিস বলের মতো গোলাকার। উভয় দলে ১২ জন করে খেলোয়াড় থাকে। খেলার সময়কাল ২ থেকে ৩ ঘন্টা। খেলার মাঠ ফুটবল মাঠের প্রায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ। গোলপোস্ট  প্রায় ১৫-২০ হাত লম্বা এবং ফিরাল (পতাকা) দিয়ে চিহ্নিত করা হতো। কিছুটা আইলের মতো থাকত এবং ওই আইল ক্রস করলে পয়েন্ট হত। এ খেলা সাধারণত আহাল-নহা (বিবাহিত-অবিবাহিত) কিংবা বড়-ছোট দলের (বয়স অনুপাতে) খেলা হত। প্রায় প্রতিটি গ্রামে খেলা হত। তবে পশ্চিম জালালপুর ও গোলেরহাওরে বড় আসরের খেলা হত। খেলা শেষে পঞ্চায়েতের মাধ্যমে কিংবা আয়োজকদের পক্ষ থেকে ফলার (চিড়া, কলা, দুধ ও গুড় দিয়ে তৈরি) খাবার সবাইকে পরিবেশন করা হত। কাংজৈ খেলার সেরা খেলোয়াড়রা ছিলেন—মো. আবদুর রশিদ খান, আবদুল মজিদ, নূর আলী, তলেন খান, তোরাব আলী (পশ্চিম জালারপুর), বারাম হাজী, নাসের আলী, দেওয়ান (গোলের হাওর), জানালী, কাজির উদ্দিন, নাজির উদ্দিন (কোনাগাঁও) প্রমুখ।

মণিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের গৌরবময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার জন্য সামাজিক আন্দোলন এবং সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা অত্যাবশ্যক।

 

সাজ্জাদুল হক স্বপন: কবি ও লেখক