আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ জিতে এরই মধ্যে ওয়ানডে সিরিজের ট্রফিটা নিশ্চিত করে ফেলেছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগামীকাল সোমবার তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। এই ম্যাচ জিতে আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগ টেবিলে শীর্ষস্থান সংহত করার সুযোগ নিতে চায় টাইগাররা। ম্যাচটি শুরু হবে সকাল ১১টায়।

 

স্বাগতিক ভারত ও সুপার লিগের অন্য শীর্ষ সাত দল সরাসরি খেলবে ২০২৩ বিশ্বকাপে। ১০০ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগে এখন সবার ওপরে বাংলাদেশ। তবে সামনের সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকায় বলে সেখান থেকে পয়েন্ট পাওয়া কঠিন হতে পারে। ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কাজেই পয়েন্ট তুলে নেয়ার এটাই সেরা সুযোগ বাংলাদেশের জন্য।

 

১৪ ম্যাচে ১০০ পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ১৫ ম্যাচে ৯৫ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই ইংল্যান্ড। এরপর ভারত (৭৯), আয়ারল্যান্ড (৬৮), শ্রীলংকা (৬২), অস্ট্রেলিয়া (৬০), আফগানিস্তান (৬০), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৫০), পাকিস্তান (৪০), দক্ষিণ আফ্রিকা (৩৯), জিম্বাবুয়ে (৩৫), নিউজিল্যান্ড (৩০) ও নেদারল্যান্ডস (২৫)। 

 

আইসিসি সুপার লিগের পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ নিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, সিরিজ জেতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ১০ পয়েন্ট। বিশ্বকাপে কিন্তু শীর্ষ আট দল কোয়ালিফাই হবে। সিরিজ জিতেছি খুব ভালো কথা। আমাদের পরবর্তী টার্গেট আরেকটি ম্যাচ জিতে ১০ পয়েন্ট নিতে পারলে দলের জন্য অনেক ভালো হবে। আমরা চেষ্টা করব শতভাগ উজাড় করে খেলার জন্য। আমাদের জন্য ১০ পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ। সামনে হয়তো অনেক ভালো সুযোগ আসবে। হয়তো অনেক বড় চ্যালেঞ্জ আসবে। কিন্তু আমি মনে করি, এই ১০ পয়েন্ট যদি নিতে পারি, তখন আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে সামনের চ্যালেঞ্জগুলো।

 

বাংলাদেশকে বাড়তি আশা দেখাচ্ছেন তরুণরা। প্রথম ম্যাচে ৪৫ রানে ৬ উইকেট পতনের পরও ২১৬ রান তাড়া করে দলকে জয় এনে দেন আফিফ হোসেন আর মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় ম্যাচে লিটন কুমার দাস আর তাসকিন আহমেদ আলো ছড়িয়ে দলের সিরিজ জয় নিশ্চিত করে দিয়েছেন।

 

এখন তামিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর পারফর্ম করার সুযোগ। তারা সবাই রয়েছেন ভালো ফর্মে এবং সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে ভালো করেছেন। দলে জায়গা পাকা করতে ইয়াসির আলীকেও বড় ইনিংস খেলতে হবে।

 

বাংলাদেশের জন্য ভয় ছিল আফগান স্পিন নিয়ে। যদিও রশিদ খান, মুজিব উর রহমান ও মোহাম্মদ নবীর স্পিন ভালোভাবেই সামলেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা, এ সময় উইকেটের সাহায্যও তারা পেয়েছেন।