নারী এশিয়া কাপ টি২০তে আজ শক্তিশালী ভারতের কাছে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ১৫৯ রান তোলে ভারত। জবাব দিতে নেমে ৭ উইকেটে ১০০ রান তুলতে সমর্থ হয় নিগার সুলতানার দল। এই জয়ে ভারতের সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল।

 

১৬০ রানের বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতে সাবধানী হয়ে খেললেও স্বাগতিক বাংলাদেশ আসলে কখনই জয়ের পজিশনে ছিল না। দুই ওপেনার ৯ ওভার থেকে মাত্র ৪৫ রান তুলতে সমর্থ হন। দলীয় ৪৫ রানে মুর্শিদা খাতুন সাজঘরে ফেরার পর ফারজানা হকের সঙ্গে যোগ দেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। অধিনায়কের খেলা ২৯ বলে ৩৬ রান ছাড়া অন্য কেউই ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার মতো ব্যাটিং করতে পারেননি। ভারতের গোছানো বোলিংয়ের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটিংও ছিল শম্বুক গতির। সব মিলে ২০ ওভারশেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০০/৭। শেফালি ভার্মা ১০ রানে দুটি ও দীপ্তি শর্মা ১৩ রানে দুটি উইকেট নেন।

 

চোটের কারণে আজ খেলা হয়নি ভারতের নিয়মিত অধিনায়ক হারমানপ্রীত কউরের। তার জয়গায় টস করতে নামেন তারকা ব্যাটার স্মৃতি মান্দানা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটির কল্যাণেই ৯৬ রান পেয়ে যায় এশিয়ান পরাশক্তি ভারত। ঠিক ১২ ওভারে দলকে এই রান এনে দেন মান্দানা ও শেফালি ভার্মা। মান্দানা ৩৮ বলে ৪৭ রান করে বিদায় নেন। ভার্মা ৪৪ বলে খেলেন ৫৫ রানের রাজসিক ইনিংস। এরপর জেমিমাহ রদ্রিগেজের ঝড়ো ব্যাটিং (২৪ বলে ৩৫ রান) ভারতকে দেড়শোর্ধ্ব সংগ্রহ এনে দেয়। বাংলাদেশের হয়ে রুমানা আহমেদ ২৭ রানে তিনটি ও সালমা খাতুন ১৬ রানে একটি উইকেট নেন।


হার শেষে বিমর্ষ বাংলাদেশ দলনায়ক নিগার বললেন, পাওয়ারপ্লে ও এরপরের ওভারগুলোতে আমরা ভালো বল করিনি। খুব বেশি ঢিলে বল দিয়েছি, যা থেকে প্রচুর রান তুলে নিয়েছে ভারত। আবার ব্যাটিং পাওয়ারপ্লে থেকেও আমরা প্রত্যাশিত রান পাইনি। আসলে বোলিংই আমাদের ডুবিয়েছে। প্রথম ইনিংসে ১০ ওভারশেষে আমরা নিয়ন্ত্রণ করলেও আমাদের মূল বোলাররা সঠিক জায়গায় বল ফেলতে পারেনি।

 

সোমবার নিজেদের পরের ম্যাচে শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একইদিন ভারত খেলবে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে।