নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কাল সোমবার নেপালের মুখোমুখি হবে
বাংলাদেশ। ফাইনাল সামনে রেখে আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলনায়ক সাবিনা খাতুন ও
কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন দুজনেরই কথায় ছিল শিরোপা জয়ের প্রত্যয়। যদিও ছোটন মনে করেন, শিরোপার লড়াইটা বেশ
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। কাল বাংলাদেশ সময় বিকাল সোয়া ৫টায় শুরু হবে শিরোপার
লড়াই।
সাফে আগের পাঁচ আসরে পাঁচবারই চ্যাম্পিয়ন ভারত। এটা বাংলাদেশের দ্বিতীয়
ফাইনাল। আর নেপাল খেলবে নিজেদের পঞ্চম ফাইনাল। ২০১৬ সালের আসর বাদে বাকি চারটি
আসরের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে শিরোপাবঞ্চিত নেপাল। এবার নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে
সাফ।
আজ সংবাদ সম্মেলনে ছোট বলেছেন, আমাদের খেলোয়াড়রা ফাইনালের জন্য তৈরি। আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে তৈরি।
ফাইনালের জন্য আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে এবং আমরা সেভাবেই খেলব।
একইসঙ্গে ফাইনাল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলেও মনে করেন ছোটন। তার
কথায়, আসরে এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্সে
বিচারে বললে,
আমরা ভালোই
খেলেছি। নেপালও যেহেতু ভালো দল, কাজেই ফাইনাল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
বাংলাদেশে মেয়েদের বয়সভিত্তিক ও জাতীয় দলের হেড কোচ ছোটন এরই মধ্যে
বয়সভিত্তিক পর্যায়ে পাঁচটি শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। যদিও জাতীয় দলের হয়ে
শিরোপা জেতা হয়নি। কাল তার শোকেসে জাতীয় দলের হয়ে একটি শিরোপা জয়ের হাতছানি।
দেশের মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে তিনি চিন্তিত, যদিও দলের সামর্থ্য নিয়ে তিনি
আত্মবিশ্বাসীও। এই কোচ বলেন, স্বাগতিক দলের বিপক্ষে খেলা সব সময়ই কঠিন, কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়েই
ফাইনালে নামব।
টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ৮ গোল করা বাংলাদেশ দলনায়ক সাবিনা খাতুন বলেছেন, তার দল ফাইনালের জন্য তৈরি। তিনি
বলেছেন, তার দল চাপকে তাড়িয়ে সহজাত খেলাটা
খেলতে চায়।
ইতিহাস অবশ্য বাংলাদেশের পক্ষে নয়। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মোট তিনবার
মুখোমুখি হয়ে তিনবারই নেপালের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০১৯ সালে বিরাটনগর
আসরের সেমিফাইনালে স্বাগতিকদের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ নারীরা।
যদিও এবার বাংলাদেশ দল অনেক উন্নতি করেছে। ভারতের বিপক্ষে
পারফরম্যান্সই প্রমাণ করে,
সাবিনাদের
উন্নতির গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। এখন তারা প্রথমবারের মতো শিরোপা স্পর্শ করতে চান।










