বেঙ্গালুরুতে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করলেন ফখর জামান। পাকিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপে এটিই এখন দ্রুততম সেঞ্চুরি। ২০০৭ সালে কিংস্টনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ইমরান নাজির। ফখর জামানের সেঞ্চুরিটি আবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে যুগ্মভাবে নবম দ্রুততম। তার ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪০২ রানের বিশাল টার্গেটের পেছনে ছুটছে পাকিস্তান।

এর আগে রাচিন বরীন্দ্রর তৃতীয় বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি (১০৮) ও কেন উইলিয়ামসনের ৯৫ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ৪০১ রানের সৌধ গড়ে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপস ২৫ বলে ৪১, মার্ক চ্যাপম্যান ২৭ বলে ৩৯, ডেভন কনওয়ের ৩৯ বলে ৩৫, ড্যারিল মিচেলে ১৮ বলে ২৯ ও মিচেল স্যান্টনারের ১৭ বলে ২৬ রানে ভর করে বিশাল সংগ্রহ পায় নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ ওয়াসিম ৬০ রানে তিনটি উইকেট নেন।

অসম্ভবকে সম্ভব করার মিশনে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই আব্দুল্লাহ শফিককে হারায় পাকিস্তান (৬/১)। টিম সাউদির বলে উইলিয়ামসনকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর বাবর আজমকে নিয়ে দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন ফখর। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার সময় পাকিস্তান ডিএলএস মেথডে ১০ রানে এগিয়ে ছিল। ২১.৩ ওভারে তাদের ১৫০ রান থাকলেই চলতো, তাদের স্কোর ছিল ১৬০/১।  

১৯৯৯ সালের পর বিশ্বকাপে মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ২০ ওভারের আগেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন ফখর। এর আগে চলতি আসরে ভারতের রোহিত শর্মা ১৭.২ ওভারে ও ২০০৩ আসরে কানাডার জন ডেভিসন ১৮.৬ ওভারে সেঞ্চুরি করেন। ফখর করেন ১৯.২ ওভারে।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডটাও নিজের করে নিলেন ফখর জামান। ইমরান নাজির মেরেছিলেন আটটি ছক্কা। আজ বৃষ্টির আগেই নয়টি ছক্কা মারেন ফখর।

টানা তিনে জয়ের পর টানা চার হারে ব্যাকফুটে কিউইরা। তারা টেবিলের চারে। পাকিস্তানও খাদের কিনারে। এই ম্যাচটি তাদের কাছে বাঁচা-মরার। জিতলে টিকে থাকবে, হারলে বিদায়। সকালে ম্যাচ হওয়ায় কিউইদের সামনে অজিদের টপকে তিনে ওঠার হাতছানি। যদিও অজিরা পরে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পাবে।

৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয় নম্বরে পাকিস্তান। গতকাল নেদার‍ল্যান্ডসকে হারিয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচ নম্বরে উঠে যায় উজ্জীবিত আফগানিস্তান।