বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালের আগের দিন (বৃহস্পতিবার) অনুশীলন এবং আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে উপস্থিত ছিলেন না সাকিব আল হাসান। তা বাদ দিয়ে বিজ্ঞাপন শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। মূলত টিম ম্যানেজমেন্টকে না জানিয়ে এমনটা করেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ম্যানেজমেন্টের ভিন্ন রকম মন্তব্য পাওয়া গেছে।
বিপিএলের বায়ো-বাবল নীতিমালা লঙ্ঘন করে সাকিব বিজ্ঞাপন শুটিংয়ে কেন অংশ নিয়েছেন- এই ইস্যুতে বরিশাল ফরচুনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। বিসিবির বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাকিবের এই কাণ্ডে বিপিএলের সুরক্ষা বলয়-ই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর করোনা টেস্ট করানো হয় সাকিবের। পরে করোনা নেগেটিভ হয়েই বরিশাল অধিনায়ক ফাইনালে খেলেছেন। তবে সাকিব কেন হোটেল, অনুশীলন ছেড়ে বিজ্ঞাপন শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তার কারণ জানতে চেয়েছে বিসিবি।
শুক্রবার ফাইনাল ম্যাচ শেষে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, যতগুলো সিরিজ কিংবা টুর্নামেন্ট হয়েছে আমরা কোন ছাড় দেইনি। বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দায়িত্বে থাকে বলে খেলোয়াড়রা আমাদের আন্ডারে থাকে না। এরই মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। বায়ো-বাবল ভেঙে একজন বাইরে গেলো কীভাবে। কারণ আমরা নির্দেশনা দিয়েছিলাম, কীভাবে জৈব সুরক্ষা বলয় টিকিয়ে রাখা যাবে। এটা কেন ভাঙলো, সেটাই সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে জানতে চেয়েছি।
ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনী চুক্তির জন্য সাকিব নিয়ম-নীতি অমান্য করতে পারেন কীনা এমন প্রশ্নে বোর্ড সভাপতি বলেছেন, অবশ্যই পারে না। কেউ আইন ভাঙুক এটাতো প্রশ্নই উঠে না। কেউতো আলাদা হতে পারে না। তবে এখানে ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্বটা বেশি ছিল। টুর্নামেন্টের মাঝেতো কিছু করা সম্ভব না। টুর্নামেন্ট শেষ হয়েছে, এখন যা করার করবে।










