বিপিএলে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতে
নিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনালে মাশরাফি বিন
মর্তুজার সিলেট স্ট্রাইকার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা উৎসব করে ইমরুল কায়েসের
কুমিল্লা। এটা অধিনায়ক হিসেবে ইমরুলের তৃতীয় শিরোপা। অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ
চারটি শিরোপা জয়ের রেকর্ড রয়েছেন মাশরাফির।
নবম বিপিএলের ফাইনালে কুমিল্লাকে ১৭৬ রানের
টার্গেট ছুড়ে দেয় সিলেট। ২৬ রানের মধ্যে তৌহিদ হৃদয় ও মাশরাফি বিন মর্তুজার উইকেট
হারালেও নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের রাজসিক ব্যাটিংয়ে ভর করে
প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দিতে সমর্থ হয় সিলেট। মুশফিক ৭৪ রানের হার না
মানা ইনিংস খেলেন, আর শান্ত করেন ৬৪ রান। তবে মুশফিক ও শান্তর দুর্দান্ত ব্যাটিং
বিফল করে দিয়ে কুমিল্লাকে জেতান জনসন চার্লস ও লিটন দাস। চার্লস ৫২ বলে ৭৯ রান ও লিটন
৩৯ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন।
শেষ দিকে চার্লস ও মঈন আলীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে
ম্যাচটা সিলেটের হাত থেকে চলে যায় কুমিল্লার নিয়ন্ত্রণে। ৪০ বলে ৭২ রান যোগ দলকে
জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন দুজন। এর আগে এর আগে লিটনকে নিয়ে ৫৭ বলে ৭০ রানের জুটি গড়েন
ক্যারিবিয়ান ডেঞ্জারম্যান চার্লস।
সিলেট হারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে আসর রাঙান
শান্ত। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শান্ত ৯ বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কার
সাহায্যে ৪৫ বলে ৬৪ রান এবং অভিজ্ঞ মুশফিক ৪৮ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ৭৪ রান
করেন।
তৃতীয় উইকেটে মুশফিক ও শান্ত মিলে ৫৬ বল
খেলে বোর্ডে তুলেছেন ৭৯ রান। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মঈন আলীর বলে বোল্ড হয়ে যান
শান্ত। তখন দলের সংগ্রহ ১০৫/৩। এরপর টেল-এন্ডের অন্যদের নিয়ে দলের সংগ্রহটা ১৭৫
পর্যন্ত টেনে নেন মুশফিক। রায়ান বার্ল ১১ বলে ১৩ ও জর্জ লিন্ডে ৬ বলে ৯ রান করেন।
কুমিল্লার মুস্তাফিজুর রহমান সর্বোচ্চ দুটি
উইকেট নেন ৩১ রান দিয়ে। এছাড়া সুনিল নারাইন, আন্দ্রে রাসেল, মঈন আলী ও তানভির
ইসলাম একটি করে উইকেট নেন। তানভির একটি উইকেট নিয়ে এবারের বিপিএলে যুগ্মভাবে
সর্বোচ্চ শিকারি বোলার হলেন। তার সমান ১৭টি উইকেট নিয়েছেন রংপুরের হাসান মাহমদু।
তবে গড় ও ইকোনোমি রেটে তানভিরই এগিয়ে এক নম্বরে উঠে গেছেন।










