এ আসরে বিশ্বের সেরা ১২টি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে। গতকাল প্রথম দিন ‘গ্রুপ টু’তে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় শ্রীলংকার মেয়েরা। আজ দ্বিতীয় দিন ‘গ্রুপ ওয়ান’ ও ‘গ্রুপ টু’ মিলিয়ে মোট তিনটি ম্যাচ রয়েছে। বেলা সাড়ে ৩টায় আয়ারল্যান্ড খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া এবং রাত সাড়ে ১১টায় লড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের মেয়েরা পড়েছে ‘গ্রুপ ওয়ান’-এ। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টায় বার্মিংহামে নেদারল্যান্ডসের মেয়েদের মুখোমুখি হবে নিগার সুলতানার দল। ওইদিন সন্ধ্যায় একই মাঠে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে প্রতিবেশী পাকিস্তান। যদিও ছেলেদের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে যে লড়াই হয়, মেয়েদের ক্রিকেটে সেই ঝাঁজ অনুপস্থিত। তবু মনস্তাত্ত্বিক লড়াই তো থাকবেই।
বাংলাদেশকে খেলতে হবে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। শুরুতেই সামনে পড়েছে ডাচ নারীরা। এরপর অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। উভয় গ্রুপের লড়াই শেষে দুটি করে দল উঠে যাবে সেমিফাইনালে। আগামী ৫ জুলাই লর্ডস ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে মেয়েদের দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসরের।
এ টুর্নামেন্টের জন্য ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার প্রাইজমানি দিচ্ছে আইসিসি, যা ২০২৪ সালের আসরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। রানার্সআপ দল ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার নিয়ে বাড়ি ফিরবে। সেমিফাইনালে পরাজিত দুই দল পাবে ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার করে। সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ছাড়া বাকি প্রতিটি জয়ের জন্য রয়েছে ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার।
আগের নয় আসরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া সর্বোচ্চ ছয়বার এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড একবার করে শিরোপা জিতেছে।
এবার স্বাগতিক ইংল্যান্ড ছাড়াও ২০২৪ আসরের সেরা ৫টি দল—নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা সরাসরি খেলার সুযোগ পায়। ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিং বিচারে সরাসরি খেলার সুযোগ পায় আরো দুটি দেশ—শ্রীলংকা ও পাকিস্তান। এছাড়া বাকি চারটি দল এসেছে বৈশ্বিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে। বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস এসেছে বাছাইপর্বের বৈতরণী পেরিয়ে। ডাচ নারীরা এই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত ছয়টি আসরে খেলেছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজরা এখনো গ্রুপ পর্বেই আটকে আছে। এবার কতদূর যেতে পারবে নিগার সুলতানার দল?










