এফ এ কাপে আর্লিং হালান্ডের পাঁচ গোলে বিধ্বস্ত লুটন টাউন। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ৬-২ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রতিপক্ষের মাঠে রীতিমতো গোল উৎসবে মাতে সিটি।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ করে যেতে থাকে ম্যানচেস্টার সিটি। মাত্র তিন মিনিটের মাথায় প্রথম গোলের দেখা পায় তারা। দুর্দান্ত শটে জাল খুঁজে নেন হালান্ড। এরপর অষ্টাদশ মিনিটে আবারো প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়ে দেন নরওয়েজীয় তারকা। ৪০তম মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন হালান্ড। বিরতির আগে লুটনের হয়ে এক গোল শোধ করেন জর্ডান ক্লার্ক। এতে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পেপ গার্দিওলার দল।
বিরতির পর ৫২ মিনিটে আরো একটি গোল শোধ করে লুটন, এতে ব্যবধান দাড়ায় ৩-২ গোলে। তবে এ ব্যবধান বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৫৫ ও ৫৮ মিনিটে করেন আরো ২ গোল করেন হালান্ড। কেভিন ডি ব্রুইন ও হালান্ডের মাঝে দারুণ রসায়নের কাজটা করেন বার্নার্দো সিলভা ও জন স্টোনস। ৫৮ মিনিটে হালান্ডের শেষ গোলটি বানিয়েছেন সিলভা। ৭২ মিনিটে মাতেও কোভাচিচের গোলের উৎস স্টোনস। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে ৬-২ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।
এবারের মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এ নিয়ে ২৭ গোল করেছেন হালান্ড। চেলসির বিপক্ষে সম্প্রতি ড্র হওয়া ম্যাচে বাজে পারফরমেন্সের কারণে সমালোচিত হালান্ড যেন জ্বলে ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন। গত বছর মার্চে আরবি লিপজিগের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে নায়োকোচিত পারফরমেন্সের পর সিটির জার্সি গায়ে এক ম্যাচে দ্বিতীয়বার পাঁচ গোলের রেকর্ড গড়লেন হালান্ড।
পায়ের ইনজুরির কারণে দুই মাস মাঠের বাইরে থাকার পর এই প্রথম নিজেকে প্রমাণ করলেন হালান্ড। নরওয়েজিয়ান এ তরুণ ফরোয়ার্ড বলেন, আমি নিজের সেরাটায় ফিরতে চেয়েছি। শেষ পর্যন্ত কিছুটা ভালো অনুভব করছি। এটা সত্যিই দারুণ এক অনুভূতি। আমাদের সময় এসেছে, আমরা সবাই ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সবদিক থেকে আমরা এখন আক্রমণ করতে প্রস্তুত।
পেপ গার্দিওলা বলেছেন, আমার কিছু বলার নেই। আর্লিং ও কেভিন ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। তাদের মধ্যে বোঝাপড়া দারুণ ছিল। কেভিনের আর্লিংয়ের মতো খেলার প্রয়োজন ছিল, একইভাবে আর্লিংয়ের কেভিনের মতো।
সব ধরনের প্রতিযোগিতায় এনিয়ে শেষ ১৫ ম্যাচের ১৪টিতে জয়ী হয়েছে সিটি। গত বছরের প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও এফএ কাপ শিরোপার মাধ্যমে ট্রেবল জয়ের পুনরাবৃত্তির পথে দারুণভাবে এগিয়ে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।










