ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ২১০ রানের
টার্গেট দিয়েও জয়ের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও ডেভিল মালানের সেঞ্চুরিতে বিফলেই
যায় স্বাগতিক বোলারদের দুর্দান্ত প্রচেষ্টা। তিন উইকেটে জিতেছে সফরকারীরা।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ স্বাগতিকরা ১৬১
রানে ইংলিশদের সাত উইকেটের পতন ঘটায়। তাতে জয়ের সম্ভাবনা জাগে। যদিও মালান ও আদিল
রশিদ অষ্টম উইকেটে ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে হতাশ করে তামিম ইকবালের দলকে। আট বল
বাকি থাকতে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় জস বাটলারের দল। মালান ১৪৫ বলে ১১৪ ও রশিদ ২৯
বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে উইল জ্যাকস ৩১ বলে ২৬ ও মঈন আলী ৩২ বলে ১৪ রান
করেন। বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম ৫৪ বলে তিনটি ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৫ রানে দুটি
উইকেট নেন।
এর আগে দুপুরে টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশ
ইংলিশদের গতি ও স্পিনের যৌথ আক্রমণের মুখে ৪৭.২ ওভারে ২০৯ রানে সবকটি উইকেট হারায়।
টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয়া বাংলাদেশ ভালো সূচনা
করলেও দলীয় ৩৩ রানে লিটন দাসকে হারায়। পঞ্চম ওভারে তাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন ক্রিস
ওকস। লিটন করেন ১৫ বলে সাত রান। এরপর মার্ক উড আক্রমণে এসেই বোল্ড করেন তামিম
ইকবালকে। ৩২ বলে ২৩ রান করেন তিনি চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে।
মুশফিকুর রহিম ১৭তম ওভারে মঈন আলীর বলে ছক্কা
হাঁকাতে গিয়ে একবার জীবন পান। যদিও ২০তম ওভারে রশিদের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন
তিনি। ডিপ মিড উইকেটে মার্ক উডকে ক্যাচ দেন তিনি। মঈন তার পরের ওভারে শিকার করেন
আরো বড় উইকেট। ১২ বলে ৮ রান করে মঈনের বলে বোল্ড হয়ে যান সাকিব।
বাংলাদেশের হয়ে এদিন লড়াই করেন শুধু নাজমুল হোসেন শান্ত।
৮২ বলে ছয় বাউন্ডারিতে ৫৮ রান করে তিনি আদিল রশিদের শিকার হন। শান্তর সঙ্গে ৫৩
রানের জুটি গড়া মাহমুদউল্লাহ (৪৮ বলে ৩১) এরপর দ্রুতই আউট হয়ে যান। উইকেটের পেছনে
জস বাটলারকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর জোফরা আর্চার, উইল জ্যাকস ও মঈন আলী নিয়মিত
উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ২০৯ রানে অলআউট করেন। আর্চার, উড, মঈন ও রশিদ
প্রত্যেকেই দুটি করে এবং ওকস ও জ্যাকস একটি করে উইকেট নেন।
এ নিয়ে ২২ বারের মুখোমুখিতে ইংল্যান্ড ১৮টিতে ও
বাংলাদেশ চারটিতে জিতেছে। ২০১০ সালে ব্রিস্টলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম জয়ের
স্বাদ পায় টাইগাররা। এরপর ২০১১ সালে চট্টগ্রামে, ২০১৫ সালে অ্যাডিলেডে ও ২০১৬ সালে
মিরপুরে জয় পায় বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসেছে ইংলিশরা।










