নারীদের এশিয়া কাপ ক্রিকেট মানেই ভারতের আধিপত্য। আট আসরের মধ্যে
সপ্তমবারের মতো শিরোপা জয় করল ভারতীয় নারীরা। আজ সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট
স্টেডিয়ামে শ্রীলংকাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় হারমানপ্রিত কউরের দল। এর
মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের চার বছরের শ্রেষ্ঠত্বের সমাপ্তিও ঘটল। ২০১৮ সালে ভারতকে
হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ জিতেছিলেন সালমা খাতুন, রুমানা
আহমেদরা।
সিলেটে আজ একপেশে ফাইনালে জিতেছে ভারত। আগে ব্যাট করতে নেমে নয় রানের
মধ্যে চারটি উইকেট হারিয়ে বসে লংকানরা। রেনুকা সিং (৩/৫), রাজেশ্বরি গায়কোয়াড় (২/১৬) ও স্নেহ
রানার
(২/১৩)
অবিশ্বাস্য বোলিংয়ের মুখে একটি পর্যায়ে ৪৩ রানে ৯ উইকেট হারায় সিংহলিজ নারীরা।
এরপর দশম উইকেটে ইনোকা রানাবীরা (১৮*) ও অচিনি কুলাসুরিয়ার (৬*) দৃঢ়তায়
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৬৫ রান তুলতে সমর্থ হয় শ্রীলংকা।
ছোট টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫ রানের মধ্যে সেফালি ভার্মা ও জেমিমাহ
রদ্রিগেজের উইকেট হারালেও ভারতকে ৬৯ বল বাকি থাকতেই জয় এনে দেন স্মৃতি মান্দানা।
তিনি মাত্র ২৫ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক হারমানপ্রিত কউর অপরাজিত
ছিলেন ১১ রানে।
তিন উইকেট নিয়ে রেনুকা সিং হয়েছেন ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়, আর
টুর্নামেন্টসেরা হয়েছেন ভারতেরই দীপ্তি শর্মা। তিনি ৯৪ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন
১৩ উইকেট।
এর আগে ২০০৪, ২০০৫-০৬, ২০০৬,
২০০৮, ২০১২ ও ২০১৬
সালে এশিয়া কাপ শিরোপা জয় করে ভারত। এবার তারা পেল সপ্তম মুকুট। এর মধ্যে চারটি
টি২০ সংস্করণের,
আর তিনটি
ওয়ানডে সংস্করণের। ভারত ছাড়া এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের স্বাদ পেয়েছে শুধু বাংলাদেশ। আর
শ্রীলংকান নারীরা এ নিয়ে পঞ্চমবার হার ফাইনালে!
আজ জয় শেষে ভারতীয় দলনায়ক কউর বলেন, আমরা বোলারদের কৃতিত্ব দেব। ফিল্ডিং
ইউনিটও প্রথম বল থেকে দারুণ ছিল এবং আমরা সহজে কোনো রান ছেড়ে দেব না বলে আগেই
আলোচনা করেছি। উইকেট বুঝে সে অনুযায়ী সঠিক জায়গায় ফিল্ডার রাখতে চেয়েছি। আমরা
স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাতে চাইনিং এবং নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম পাঁচ ওভার
খেলতে চেয়েছি।
ঘরের মাঠে এবারে আসরে সেমিফাইনালে খেলতে পারেনি গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।
গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে নিজেদের শেষ ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায়
টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে নিগার সুলতানার দল।










